ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানিদের হানা, রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বিদ্যার প্রাঙ্গণ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ মার্চ, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানিদের হানা, রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বিদ্যার প্রাঙ্গণ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ মার্চ, ২০২৬ |
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে ‘অপারেশন সার্চলাইটের’ প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল মেধার কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা জানত, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি হলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষক সমাজ। তাই সেই কালরাতে এক সুপরিকল্পিত ও নারকীয় তাণ্ডব চালানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও কোয়ার্টারগুলোতে। রাত ১২টার পর পাকিস্তানি বাহিনী ট্যাংক ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে জগন্নাথ হল ঘেরাও করে। হলের উত্তর ও দক্ষিণ ব্লকে শুরু হয় বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ। কামানের গোলার আঘাতে ধসে পড়ে হলের একাংশ। সেই রাতে প্রায় ৬৬ জন ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্য ছিল হলের মাঠে—যেখানে ছাত্রদের দিয়েই খুঁড়িয়ে তোলা গর্তে তাদের নিজেদেরই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়

করিয়ে গুলি করে মাটিচাপা দেওয়া হয়। তৎকালীন ইকবাল হলে (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছিল ছাত্রনেতাদের মূল কেন্দ্র। সেখানে পাকিস্তানি সেনারা নির্বিচারে অগ্নিসংযোগ ও গুলিবর্ষণ করে। অন্যদিকে, নারী শিক্ষার্থীদের আবাসস্থল রোকেয়া হলেও চালানো হয় বর্বরতা। যদিও অধিকাংশ ছাত্রী আগেই হল ত্যাগ করেছিলেন, তবুও যারা ছিলেন এবং হলের কর্মচারীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। কেবল ছাত্র নয়, মেধা ধ্বংস করতে শিক্ষকদের বাসভবনে হানা দেয় ঘাতক দল। সেই রাতেই শহীদ হন ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক এ এন এম মুনীরুজ্জামান এবং অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ আরও অনেকে। তাঁদের নিজেদের পরিবারের সামনে টেনে হিঁচড়ে বের করে এনে গুলি করা হয়েছিল।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে মৃতদেহ শনাক্ত করার সুযোগ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। সকাল হওয়ার আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর লাল রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায়। চারদিকে কেবল বারুদের গন্ধ আর পোড়া লাশের স্তূপ। এই নৃশংসতার খবর যাতে বাইরে না যায়, সেজন্য আগেভাগেই বিদেশি সাংবাদিকদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তবে সাইমন ড্রিংয়ের মতো সাহসী সাংবাদিকরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সেই ধ্বংসলীলার ছবি ও সংবাদ বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নারী নেতৃত্ব হারাম বলে কী টিভি এডিটরস কাউন্সিলে জায়গা হয়নি নাজনীন মুন্নী? পদ্মা ব্যারাজের হঠকারী প্রকল্প: বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ উপেক্ষিত, তিন দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা শরীয়তপুরে ছেলে ছাত্রলীগ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ মিরপুরে শাহ আলী মাজারে জঙ্গি হামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ডুয়েটে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, একাধিক শিক্ষার্থী আহত হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ শিশুর মৃত্যু নব্বইয়ে পারস্পরিক সম্মান, সংলাপ এবং সংকটে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল : নঈম নিজাম বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক প্রবেশাধিকারে চুক্তি: চীন-ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে? পাকিস্তানে দুই গোত্রে বিয়ে নিয়ে সহিংসতা থেকে গোলাগুলি, পুড়ল শতাধিক বাড়িঘর কন্যা একবার ফিরেছিলেন। বাংলাদেশের আবার তাঁকে দরকার কারিনা কায়সার থেকে হাজারো শিশুমৃত্যু: নির্বাচিত নীরবতা আর জুলাইপন্থীদের পক্ষাপাতিত্ব সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল এবার ‘আমার টাকায়’ উচ্চমূলে বিদ্যুৎ কিনতে হবে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তকে যখন বাড়ির দেয়াল নিজেই একটা ভূগোলের বই হয়ে ওঠে! হরমুজের গভীরে নতুন শক্তিতে নজর ইরানের, নিয়ন্ত্রণে থাকবে পুরো দুনিয়া অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকার ১২টা বাজিয়ে গেছে: আবদুস সালাম ইসরাইলি হামলায় লেবাননের দৈনিক ক্ষতি ৩০ মিলিয়ন ডলার ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে যেতে যে ৫ শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র ডিএমপির নতুন কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন