ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
শহীদ মিনারে গণঅধিকার পরিষদের ফারুককে মারধর
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের ওপর হামলা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে দেওয়া বক্তব্যের জেরে সভায় উপস্থিত একদল লোক তার ওপর হামলা করেছে। শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ফ্যাসিবাদ বিলোপ ও নতুন সংবিধানের দাবিতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক সংগঠন নাগরিক সমাবেশ আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা ফারুক হাসান। অনুষ্ঠান চলাকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় সভায় উপস্থিত কয়েকজন এসে মঞ্চে এসে ফারুকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এরপর বক্তব্য শেষে নেমে যাওয়ার সময় কয়েকজন
ব্যক্তি এসে ফারুক হাসানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং এক পর্যায়ে তার এবং সঙ্গীদের ওপর হামলা করেন। এ সময় কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা। এরপর ফারুককে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা মেডিকেল অভিমুখী সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যান এবং সেখানেও তাকে মারতে থাকেন তারা। তবে হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন ফারুক। তিনি ঢামেক থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের একটি প্রোগ্রামে আমাকে স্পেশাল গেস্ট রেখেছিল। আমি অতিথি হিসেবে সেখানে গিয়ে আমার রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছি। সেখানে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, আমি বলেছি আমরা জুলাই আগস্টের বিপ্লব করেছি একটি বিপ্লবী সরকারের জন্য। কোন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাই নাই। আমরা হাসিনার সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমরা
একটা বিপ্লব করেছি এবং এই বিপ্লবী সরকার না হওয়ার পিছনে তারাই দায়ী যারা ঐ ৫ আগষ্টে ক্যান্টনমেন্টে বৈঠক করেছেন আর্মির প্রধানের সাথে। ঐদিনই মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফর্মুলাটি ওখান থেকে আসছে। ফারুক হাসান বলেন, আমরা একটি বিপ্লবী জাতীয় সরকার চেয়েছিলাম। এই সরকার না হওয়ার কারণে আজকে সারা বাংলাদেশে যত বিশৃঙ্খলা, সংকট তৈরি হচ্ছে। সেই জায়গায় এই বক্তব্য শতভাগ সঠিক। সেটা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমার ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে আমার অবস্থা খারাপ করে দিয়েছে। আমার মানিব্যাগ মোবাইলসহ সব নিয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করার কথা জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি ঘটনাস্থলে এসে বলেন, ছাত্রদল নয়
বরং হামলা জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ব্যক্তিরা। তিনি বলেন, আমি শাহবাগ থানায় যাচ্ছি। আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। জানতে চাইলে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক জাকির মজুমদার বলেছেন, ‘ফারুকের ওপর হামলার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা ফারুকের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ফারুকের ওপর হামলা করে।’
ব্যক্তি এসে ফারুক হাসানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং এক পর্যায়ে তার এবং সঙ্গীদের ওপর হামলা করেন। এ সময় কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা। এরপর ফারুককে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা মেডিকেল অভিমুখী সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যান এবং সেখানেও তাকে মারতে থাকেন তারা। তবে হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন ফারুক। তিনি ঢামেক থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের একটি প্রোগ্রামে আমাকে স্পেশাল গেস্ট রেখেছিল। আমি অতিথি হিসেবে সেখানে গিয়ে আমার রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছি। সেখানে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, আমি বলেছি আমরা জুলাই আগস্টের বিপ্লব করেছি একটি বিপ্লবী সরকারের জন্য। কোন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাই নাই। আমরা হাসিনার সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমরা
একটা বিপ্লব করেছি এবং এই বিপ্লবী সরকার না হওয়ার পিছনে তারাই দায়ী যারা ঐ ৫ আগষ্টে ক্যান্টনমেন্টে বৈঠক করেছেন আর্মির প্রধানের সাথে। ঐদিনই মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফর্মুলাটি ওখান থেকে আসছে। ফারুক হাসান বলেন, আমরা একটি বিপ্লবী জাতীয় সরকার চেয়েছিলাম। এই সরকার না হওয়ার কারণে আজকে সারা বাংলাদেশে যত বিশৃঙ্খলা, সংকট তৈরি হচ্ছে। সেই জায়গায় এই বক্তব্য শতভাগ সঠিক। সেটা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমার ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে আমার অবস্থা খারাপ করে দিয়েছে। আমার মানিব্যাগ মোবাইলসহ সব নিয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করার কথা জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি ঘটনাস্থলে এসে বলেন, ছাত্রদল নয়
বরং হামলা জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ব্যক্তিরা। তিনি বলেন, আমি শাহবাগ থানায় যাচ্ছি। আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। জানতে চাইলে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক জাকির মজুমদার বলেছেন, ‘ফারুকের ওপর হামলার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা ফারুকের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ফারুকের ওপর হামলা করে।’



