ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
যুধিষ্ঠির কে? : উপদেষ্টা রেজওয়ানা বনাম আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
ভোট নিয়ে ইউনূসের জালিয়াতি ফাঁস করে দিল টিআইবি
২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
রংপুরে ড. ওয়াজেদ মিয়ার ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে যুবলীগের শ্রদ্ধা
‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করেন’: মাহফুজ আলম
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
দেশকে অস্থিতিশীল করার নতুন এক মেটিকুলাস নকশা সামনে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তুঙ্গে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই দেশে ফের সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে জুলাই চার্টার ও গণভোটে ইস্যু নিয়ে দেশকে গভীর রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেওয়া হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এই জটিলতার নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করেছেন মুহাম্মদ ইউনূস। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তার নেতৃত্বে গঠিত হয় ন্যাশনাল কনসেনসাস কমিশন, যার মাধ্যমে জুলাই চার্টারের কাঠামো
দাঁড়ায়। এতে ৮০টির বেশি সংস্কার প্রস্তাব ছিল, যার বড় অংশই সাংবিধানিক সংশোধনসংক্রান্ত। ২০২৫ সালের গণভোটে জনসমর্থন পাওয়ার পর প্রেসিডেন্টের আদেশে সংস্কার পরিষদ গঠনের পথ তৈরি করা হয়, যদিও বর্তমান সংবিধানে এ ধরনের কোনো পরিষদের স্পষ্ট বিধান নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এখানেই লুকিয়ে আছে পরিকল্পিত ফাঁদ। নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠ দল যদি সাংবিধানিক কঠোরতা দেখিয়ে এই পরিষদে শপথ না নেয়, তাহলে পুরো সংস্কার প্রক্রিয়াই অচল হয়ে পড়বে। এতে একদিকে কোরাম সংকটে সংশোধনী প্রস্তাব এগোবে না, অন্যদিকে জনরায় অস্বীকারের অভিযোগ তুলে রাজপথে নামতে পারে বিভিন্ন সংস্কারপন্থী গোষ্ঠী। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি শপথ নেওয়ায় সংসদের ভেতরে কার্যত দুই ধরনের এমপি সৃষ্টি হয়েছে, যা
ভবিষ্যতে সংসদের সিদ্ধান্তকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। পাশাপাশি সিইসির অতিরিক্ত শপথ পড়ানোর এখতিয়ার এবং প্রেসিডেন্টের আদেশের বৈধতা নিয়েও আদালতে মামলার ঢেউ ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। ইউনূস তার বিদায়ী ভাষণে দাবি করেছিলেন, অন্তর্বর্তীকালীন শাসনামলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, বাস্তবে তিনি এমন একটি কাঠামো রেখে গেছেন যা নতুন সরকারকে শুরু থেকেই দুর্বল করে রাখবে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি করবে। বিএনপির অবস্থান সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যাযোগ্য হলেও এটিকে জনরায় অস্বীকার হিসেবে উপস্থাপন করে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে সামনে রাজপথে নতুন আন্দোলনের ঢেউ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকেই সংঘাত ও বয়কট এবং
দীর্ঘমেয়াদি সাংবিধানিক শূন্যতার শঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি নিছক রাজনৈতিক ভুলের ফল, নাকি মুহাম্মদ ইউনূসের পরিকল্পিত সেই “মেটিকুলাস ডিজাইন” যা দেশকে আবার অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। সময়ই হয়তো এর চূড়ান্ত উত্তর দেবে, তবে শুরুতেই এই জটিলতা জুলাই-উত্তর বাংলাদেশের স্বপ্নকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
দাঁড়ায়। এতে ৮০টির বেশি সংস্কার প্রস্তাব ছিল, যার বড় অংশই সাংবিধানিক সংশোধনসংক্রান্ত। ২০২৫ সালের গণভোটে জনসমর্থন পাওয়ার পর প্রেসিডেন্টের আদেশে সংস্কার পরিষদ গঠনের পথ তৈরি করা হয়, যদিও বর্তমান সংবিধানে এ ধরনের কোনো পরিষদের স্পষ্ট বিধান নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এখানেই লুকিয়ে আছে পরিকল্পিত ফাঁদ। নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠ দল যদি সাংবিধানিক কঠোরতা দেখিয়ে এই পরিষদে শপথ না নেয়, তাহলে পুরো সংস্কার প্রক্রিয়াই অচল হয়ে পড়বে। এতে একদিকে কোরাম সংকটে সংশোধনী প্রস্তাব এগোবে না, অন্যদিকে জনরায় অস্বীকারের অভিযোগ তুলে রাজপথে নামতে পারে বিভিন্ন সংস্কারপন্থী গোষ্ঠী। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি শপথ নেওয়ায় সংসদের ভেতরে কার্যত দুই ধরনের এমপি সৃষ্টি হয়েছে, যা
ভবিষ্যতে সংসদের সিদ্ধান্তকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। পাশাপাশি সিইসির অতিরিক্ত শপথ পড়ানোর এখতিয়ার এবং প্রেসিডেন্টের আদেশের বৈধতা নিয়েও আদালতে মামলার ঢেউ ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। ইউনূস তার বিদায়ী ভাষণে দাবি করেছিলেন, অন্তর্বর্তীকালীন শাসনামলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, বাস্তবে তিনি এমন একটি কাঠামো রেখে গেছেন যা নতুন সরকারকে শুরু থেকেই দুর্বল করে রাখবে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি করবে। বিএনপির অবস্থান সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যাযোগ্য হলেও এটিকে জনরায় অস্বীকার হিসেবে উপস্থাপন করে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে সামনে রাজপথে নতুন আন্দোলনের ঢেউ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকেই সংঘাত ও বয়কট এবং
দীর্ঘমেয়াদি সাংবিধানিক শূন্যতার শঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি নিছক রাজনৈতিক ভুলের ফল, নাকি মুহাম্মদ ইউনূসের পরিকল্পিত সেই “মেটিকুলাস ডিজাইন” যা দেশকে আবার অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। সময়ই হয়তো এর চূড়ান্ত উত্তর দেবে, তবে শুরুতেই এই জটিলতা জুলাই-উত্তর বাংলাদেশের স্বপ্নকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।



