ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০ মিনিটের ব্যবধানে আবার ভূমিকম্প
হার্ভার্ডের বিরুদ্ধে ১ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করার ঘোষণা ট্রাম্পের
মহাত্মা গান্ধীর ৪২৬ কেজি ওজনের ভাস্কর্য চুরি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম
ইতালিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা
নাগরিকত্ব আইনে সুখবর দিল ইতালি
তুরস্কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬
লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ নিহত
লিবিয়ার সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
লিবিয়ায় অবস্থানরত আল জাজিরার সংবাদদাতা আহমেদ খলিফা জানান, গত এক দশক ধরে জিনতানেই অবস্থান করছিলেন সাইফ আল-ইসলাম। তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ঠিক কিভাবে তিনি নিহত হয়েছেন তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আলজাজিরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় লিবিয়ার সরকারি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির লিবিয়ার রাজনীতিতে কখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পদে ছিলেন না। তবে ২০০০ থেকে ২০১১ সাল
পর্যন্ত তিনি কার্যত তার বাবার ‘নম্বর টু’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালে লিবিয়ার বিরোধী বাহিনীর হাতে মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার কয়েক দশকের শাসনের অবসান ঘটে। ২০১১ সালে রাজধানী ত্রিপোলি পতনের পর দেশ ছাড়ার চেষ্টাকালে সাইফ আল-ইসলামকে জিনতান থেকে আটক করা হয় এবং সেখানে কারাবন্দি রাখা হয়। পরে ২০১৭ সালে সাধারণ ক্ষমার আওতায় তিনি মুক্তি পান। পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত ও সাবলীল বক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম তার বাবার কঠোর শাসনের বিপরীতে তুলনামূলক ‘সংস্কারমুখী’ মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০০০-এর দশকের শুরুতে লিবিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস
(এলএসই) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভূমিকা। আরব বসন্তের পর লিবিয়ায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লেও সাইফ আল-ইসলাম রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। ২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা লিবিয়াতেই লড়ব, লিবিয়াতেই মরব। তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশজুড়ে রক্তের নদী বইবে এবং সরকার শেষ নারী-পুরুষ ও শেষ গুলি পর্যন্ত লড়াই করবে। পুরো লিবিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। দেশ চালানোর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ বছর লাগবে। আলজাজিরা জানিয়েছেন, সাইফ আল-ইসলামের বিরুদ্ধে তার বাবার শাসনামলে বিরোধীদের ওপর নির্যাতন ও চরম সহিংসতার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তাকে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা
হয় এবং তার বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়। একই বছর সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর আইসিসির কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে লিবীয় কর্তৃপক্ষ তাকে নিজ দেশে বিচারের উদ্যোগ নেয়। ২০১৫ সালে ত্রিপোলির একটি আদালত অনুপস্থিত অবস্থায় তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। ২০১৭ সালে মুক্তির পর সম্ভাব্য হত্যার আশঙ্কায় তিনি দীর্ঘ সময় জিনতানে আত্মগোপনে ছিলেন। লিবীয় বিশ্লেষক মুস্তাফা ফেতুরি জানান, ২০১৬ সাল থেকে তাকে লিবিয়ার ভেতরে ও বাইরে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
পর্যন্ত তিনি কার্যত তার বাবার ‘নম্বর টু’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালে লিবিয়ার বিরোধী বাহিনীর হাতে মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার কয়েক দশকের শাসনের অবসান ঘটে। ২০১১ সালে রাজধানী ত্রিপোলি পতনের পর দেশ ছাড়ার চেষ্টাকালে সাইফ আল-ইসলামকে জিনতান থেকে আটক করা হয় এবং সেখানে কারাবন্দি রাখা হয়। পরে ২০১৭ সালে সাধারণ ক্ষমার আওতায় তিনি মুক্তি পান। পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত ও সাবলীল বক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম তার বাবার কঠোর শাসনের বিপরীতে তুলনামূলক ‘সংস্কারমুখী’ মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০০০-এর দশকের শুরুতে লিবিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস
(এলএসই) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভূমিকা। আরব বসন্তের পর লিবিয়ায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লেও সাইফ আল-ইসলাম রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। ২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা লিবিয়াতেই লড়ব, লিবিয়াতেই মরব। তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশজুড়ে রক্তের নদী বইবে এবং সরকার শেষ নারী-পুরুষ ও শেষ গুলি পর্যন্ত লড়াই করবে। পুরো লিবিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। দেশ চালানোর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ বছর লাগবে। আলজাজিরা জানিয়েছেন, সাইফ আল-ইসলামের বিরুদ্ধে তার বাবার শাসনামলে বিরোধীদের ওপর নির্যাতন ও চরম সহিংসতার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তাকে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা
হয় এবং তার বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়। একই বছর সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর আইসিসির কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে লিবীয় কর্তৃপক্ষ তাকে নিজ দেশে বিচারের উদ্যোগ নেয়। ২০১৫ সালে ত্রিপোলির একটি আদালত অনুপস্থিত অবস্থায় তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। ২০১৭ সালে মুক্তির পর সম্ভাব্য হত্যার আশঙ্কায় তিনি দীর্ঘ সময় জিনতানে আত্মগোপনে ছিলেন। লিবীয় বিশ্লেষক মুস্তাফা ফেতুরি জানান, ২০১৬ সাল থেকে তাকে লিবিয়ার ভেতরে ও বাইরে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।



