ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
লাওসের সেই গুহায় পাঁচজন এখনো জীবিত আছেন
লাওসের একটি গুহার ভেতর এক সপ্তাহ ধরে আটকে থাকা সাতজনের মধ্যে পাঁচজন জীবিত আছেন। বুধবার এমন তথ্য জানিয়েছেন থাইল্যান্ড ও লাওসের উদ্ধারকারীরা।
লাওসের উদ্ধারকারী দল ‘রেসকিউ ভলান্টিয়ার ফর পিপল’ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে জানিয়েছে, ‘আমরা পাঁচজনকে জীবিত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ অবস্থায় খুঁজে পেয়েছি। তবে বাকি ২ জনের খোঁজে সন্ধান চলছে।’
থাই উদ্ধারকারী কেনংকাচ ব্যাংকাওং তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বিকেল সাড়ে চারটায় আমরা লক্ষ্যস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হই। সেখানে পাঁচজনকে খুঁজে পেয়েছি। বাকি দুজনের সন্ধান চালানো হচ্ছে।’ লাওসের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম লাও ইকোনমিক ডেইলিও পাঁচজনকে জীবিত খুঁজে পাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে।
গুহাটি লাওসের সাইসোম্বুন প্রদেশে। গত বুধবার একটি গ্রামের সাত বাসিন্দা স্বর্ণের সন্ধানে
গুহায় ঢুকেছিলেন। এরপর হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে বন্যা দেখা দেয়। এতে বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। সাইসোম্বুন প্রদেশের লং তিয়াং-এর কাছাকাছি ওই এলাকাটি বিস্তীর্ণ উপত্যকা ও সমৃদ্ধ খনিজের জন্য পরিচিত। লাওস রেসকিউ ভলান্টিয়ার ফর পিপল-এর প্রধান বুনখাম লুয়াংলাথ মঙ্গলবার জানান, বন্যায় গুহার মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই আটকে পড়া দলের এক সদস্য বাইরে আসেন। তিনিই পরে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। লুয়াংলাথ আরও বলেন, নিরাপত্তার বিষয়ে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া সত্ত্বেও স্থানীয়রা প্রায়ই স্বর্ণের খোঁজে এই গুহায় যাতায়াত করেন।
গুহায় ঢুকেছিলেন। এরপর হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে বন্যা দেখা দেয়। এতে বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। সাইসোম্বুন প্রদেশের লং তিয়াং-এর কাছাকাছি ওই এলাকাটি বিস্তীর্ণ উপত্যকা ও সমৃদ্ধ খনিজের জন্য পরিচিত। লাওস রেসকিউ ভলান্টিয়ার ফর পিপল-এর প্রধান বুনখাম লুয়াংলাথ মঙ্গলবার জানান, বন্যায় গুহার মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই আটকে পড়া দলের এক সদস্য বাইরে আসেন। তিনিই পরে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। লুয়াংলাথ আরও বলেন, নিরাপত্তার বিষয়ে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া সত্ত্বেও স্থানীয়রা প্রায়ই স্বর্ণের খোঁজে এই গুহায় যাতায়াত করেন।



