ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
যুধিষ্ঠির কে? : উপদেষ্টা রেজওয়ানা বনাম আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
ভোট নিয়ে ইউনূসের জালিয়াতি ফাঁস করে দিল টিআইবি
২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করেন’: মাহফুজ আলম
রংপুরে ড. ওয়াজেদ মিয়ার ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে যুবলীগের শ্রদ্ধা
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণুবিজ্ঞানী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৮৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার রংপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে জেলা যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ড. ওয়াজেদ মিয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। পরে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা ড. ওয়াজেদ মিয়ার কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করেন। বক্তারা বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন নির্লোভ ও নিরহংকার ব্যক্তিত্ব। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেও তিনি আমৃত্যু সাধারণ জীবন যাপন করে গেছেন। বিজ্ঞানের সাধনায়
তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং বাংলাদেশের পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আলোচনা সভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ জামাতা হিসেবে ড. ওয়াজেদ মিয়া সব সময় পরিবারের পাশে থেকে সাহস যুগিয়েছেন। বিশেষ করে ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এবং বিভিন্ন সংকটে তিনি শেখ হাসিনার পাশে থেকে মানসিক শক্তি যুগিয়েছেন। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ‘সুধা মিয়া’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং যুক্তরাজ্যের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের
চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে মৃত্যুবরণ করেন। পীরগঞ্জের ফতেহপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। আজকের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা যুবলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। মোনাজাতে ড. ওয়াজেদ মিয়ার আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং বাংলাদেশের পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আলোচনা সভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ জামাতা হিসেবে ড. ওয়াজেদ মিয়া সব সময় পরিবারের পাশে থেকে সাহস যুগিয়েছেন। বিশেষ করে ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এবং বিভিন্ন সংকটে তিনি শেখ হাসিনার পাশে থেকে মানসিক শক্তি যুগিয়েছেন। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ‘সুধা মিয়া’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং যুক্তরাজ্যের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের
চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে মৃত্যুবরণ করেন। পীরগঞ্জের ফতেহপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। আজকের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা যুবলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। মোনাজাতে ড. ওয়াজেদ মিয়ার আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।



