ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
যে রাষ্ট্রে পুলিশ আর র্যাব নিজেরাই সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়
যে রাষ্ট্রে পুলিশ আর র্যাব নিজেরাই সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়, নিজেরাই জীবন নিয়ে শঙ্কায় থাকে সেই রাষ্ট্রে তাদের দিয়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা মানে জাতির সাথে নির্মম রসিকতা করা। এটা নিরাপত্তা না, এটা নাটকের সাজসজ্জা।
দখলদার ইউনুসের সাজানো নির্বাচনে কে কোন আসন থেকে “জিতবে”, কোন দল কয়টি আসন পাবে সবই আগেই লেখা স্ক্রিপ্ট। ভোট হচ্ছে না, ফটোশুট হচ্ছে। ব্যালট বাক্স নয়, ক্যামেরার ফ্রেমই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের রায় নয়, দরকার শুধু সাজানো লাইন, সাজানো মুখ, সাজানো দৃশ্য।
আর এই নাটকে পুলিশ-র্যাবকে দাঁড় করানো হয়েছে ঢাল হিসেবে, যারা নিজেরাই গত ১৭ মাস ধরে মব সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার। যারা আইন প্রয়োগ করতে
গেলেই আক্রান্ত হয়, অপমানিত হয়, অসহায় হয়ে পড়ে। যে বাহিনী নিজেই নিরাপদ না, তারা কীভাবে জনগণকে নিরাপত্তা দেবে? এটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা না, এটা বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমানের মঞ্চে দাঁড় করানো। দখলদার ইউনুসের শাসনে আইন মানে কাগজে লেখা শব্দ, আর মাঠে চলে মবের রাজত্ব। ভোটকেন্দ্রে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকবে, কিন্তু আইন প্রয়োগ করতে পারবে না কারণ অবৈধ শাসকের আশীর্বাদ পাওয়া সন্ত্রাসীদের সামনে রাষ্ট্র নিজেই নতজানু। এটা নির্বাচন না এটা ক্ষমতার অভিনয়, আইনের মরদেহের ওপর দাঁড়িয়ে তোলা ছবি, আর জনগণের বুদ্ধিকে প্রকাশ্যে অপমান করার আয়োজন। ইতিহাস মনে রাখবে এই সময়টা ছিল যখন ভোট নয়, ভয়কে রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়েছিল, আর তার পরিচালক ছিল দখলদার
ইউনুস ও তার অবৈধ শাসন। কিসের হ্যা, কিসের না? ভোট দিতেই যাব না
গেলেই আক্রান্ত হয়, অপমানিত হয়, অসহায় হয়ে পড়ে। যে বাহিনী নিজেই নিরাপদ না, তারা কীভাবে জনগণকে নিরাপত্তা দেবে? এটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা না, এটা বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমানের মঞ্চে দাঁড় করানো। দখলদার ইউনুসের শাসনে আইন মানে কাগজে লেখা শব্দ, আর মাঠে চলে মবের রাজত্ব। ভোটকেন্দ্রে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকবে, কিন্তু আইন প্রয়োগ করতে পারবে না কারণ অবৈধ শাসকের আশীর্বাদ পাওয়া সন্ত্রাসীদের সামনে রাষ্ট্র নিজেই নতজানু। এটা নির্বাচন না এটা ক্ষমতার অভিনয়, আইনের মরদেহের ওপর দাঁড়িয়ে তোলা ছবি, আর জনগণের বুদ্ধিকে প্রকাশ্যে অপমান করার আয়োজন। ইতিহাস মনে রাখবে এই সময়টা ছিল যখন ভোট নয়, ভয়কে রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়েছিল, আর তার পরিচালক ছিল দখলদার
ইউনুস ও তার অবৈধ শাসন। কিসের হ্যা, কিসের না? ভোট দিতেই যাব না



