ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে ইরান
কলকাতায় বিজেপির প্রার্থী হতে চান আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিত চিকিৎসকের মা
কিউবায় আলো ফেরাতে সাহসী পদক্ষেপ রাশিয়ার
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি একটুও কমাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
যুক্তরাষ্ট্রে হামলার ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে পাকিস্তান: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সম্ভাব্য পারমানবিক হুমকি হিসেবে দেখছে
মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (DNI) পরিচালক তুলসী গাবার্ড সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির এক শুনানিতে এই বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন।২০২৬ সালের ১৮ মার্চ ওয়াশিংটনে সিনেট সিলেক্ট কমিটি অন ইন্টেলিজেন্সের বার্ষিক ওয়ার্ল্ডওয়াইড থ্রেটস হিয়ারিংয়ে তুলসী গাবার্ড তার ওপেনিং স্টেটমেন্টে বলেন, “ইন্টেলিজেন্স কমিউনিটি মূল্যায়ন করছে যে রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ইরান এবং পাকিস্তান নতুন, উন্নত এবং ঐতিহ্যবাহী মিসাইল ডেলিভারি সিস্টেম গবেষণা ও উন্নয়ন করছে—যাতে পারমাণবিক এবং প্রচলিত ওয়ারহেড রয়েছে—যা আমাদের হোমল্যান্ডকে (যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড) নাগালের মধ্যে নিয়ে আসছে।”
তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে পাকিস্তানের লং-রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে, যা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) পর্যন্ত পৌঁছানোর, যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম
হতে পারে। গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমানে হোমল্যান্ডের জন্য হুমকিস্বরূপ মিসাইলের সংখ্যা ৩,০০০-এর বেশি, যা ২০৩৫ সাল নাগাদ ১৬,০০০-এরও বেশিতে পৌঁছাতে পারে। এই মন্তব্যে পাকিস্তানকে রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের মতো প্রধান প্রতিপক্ষের সঙ্গে একই কাতারে রাখা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের “মেজর নন-ন্যাটো অ্যালাই” (Major Non-NATO Ally) হিসেবে স্বীকৃত, এবং ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইসলামাবাদকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে—বিশেষ করে আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে। অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক শত্রুতাপূর্ণ—সম্প্রতি (২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে) ইরানের বিরুদ্ধে “অপারেশন এপিক ফিউরি” নামে যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলছে, যা
ইরানের নিউক্লিয়ার ও মিসাইল ক্ষমতাকে “ডিগ্রেড” করেছে বলে গাবার্ড উল্লেখ করেছেন। তবু ইরান ও তার প্রক্সি গ্রুপগুলো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে তুলসী গাবার্ডের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতির একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে। পাকিস্তানকে প্রধান হুমকির তালিকায় রাখা হলেও ওয়াশিংটন ইসলামাবাদের সঙ্গে “মলিকডডল” (অতিরিক্ত সদয়) আচরণ করে চলেছে বলে সমালোচকরা মনে করেন। এটি কৌশলগত অসংগতি নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক নকশার অংশ হতে পারে—যেখানে চীন-বিরোধী ভারসাম্য রক্ষা, আফগান স্থিতিশীলতা বা অন্যান্য স্বার্থের কারণে পাকিস্তানকে “ম্যানেজ” করা হচ্ছে। তবে এই মূল্যায়ন পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান মিসাইল ক্ষমতা—বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক অস্ত্র প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে—যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভবিষ্যতে এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।
হতে পারে। গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমানে হোমল্যান্ডের জন্য হুমকিস্বরূপ মিসাইলের সংখ্যা ৩,০০০-এর বেশি, যা ২০৩৫ সাল নাগাদ ১৬,০০০-এরও বেশিতে পৌঁছাতে পারে। এই মন্তব্যে পাকিস্তানকে রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের মতো প্রধান প্রতিপক্ষের সঙ্গে একই কাতারে রাখা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের “মেজর নন-ন্যাটো অ্যালাই” (Major Non-NATO Ally) হিসেবে স্বীকৃত, এবং ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইসলামাবাদকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে—বিশেষ করে আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে। অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক শত্রুতাপূর্ণ—সম্প্রতি (২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে) ইরানের বিরুদ্ধে “অপারেশন এপিক ফিউরি” নামে যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলছে, যা
ইরানের নিউক্লিয়ার ও মিসাইল ক্ষমতাকে “ডিগ্রেড” করেছে বলে গাবার্ড উল্লেখ করেছেন। তবু ইরান ও তার প্রক্সি গ্রুপগুলো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে তুলসী গাবার্ডের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতির একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে। পাকিস্তানকে প্রধান হুমকির তালিকায় রাখা হলেও ওয়াশিংটন ইসলামাবাদের সঙ্গে “মলিকডডল” (অতিরিক্ত সদয়) আচরণ করে চলেছে বলে সমালোচকরা মনে করেন। এটি কৌশলগত অসংগতি নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক নকশার অংশ হতে পারে—যেখানে চীন-বিরোধী ভারসাম্য রক্ষা, আফগান স্থিতিশীলতা বা অন্যান্য স্বার্থের কারণে পাকিস্তানকে “ম্যানেজ” করা হচ্ছে। তবে এই মূল্যায়ন পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান মিসাইল ক্ষমতা—বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক অস্ত্র প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে—যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভবিষ্যতে এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।



