ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
রাস্তা থেকে যুদ্ধবিমান আর টকশো থেকে যুদ্ধাপরাধী: দুই প্রতিবেশী, দুই বাস্তবতা
দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস
জুলাই সনদ, এনসিপি আর শেষ বিকেলের আনুগত্য: হিসাব মিলে গেলে যখন নীতিও মেলে
ভোটার তাড়ানো, জাল ভোট, আগাম সিল: সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবির ভয়াবহ প্রতিবেদন
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
বাংলাদেশে আবার ২০০১-২০০৬ এর দিনগুলো ফেরত আসছে
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
“রাষ্ট্র নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ নেই। মানবিক করিডরের নামে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। দেশকে অনিরাপদ করার এই ষড়যন্ত্রের দায় নিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।”
— ২২ মে ২০২৫, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
ড. খলিলুর রহমানকে একসময় রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে আখ্যা দিয়ে বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেছিল, সময়ের ব্যবধানে তাকেই এখন ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি, এমনকি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখার বাস্তবতা সামনে এসেছে।
এটি নিছক অবস্থান বদল নয়। এটি ক্ষমতার বিনিময়ে নীতিগত আত্মসমর্পণের প্রতিফলন। অভিযোগ উঠেছে, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতার সমীকরণে বিদেশি স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত চাহিদা বাস্তবায়নে বিদেশি নাগরিকদের ব্যবহার করা
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।



