ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘আমেরিকান ডায়মন্ড’ নামের আড়ালে কী আছে?
মাঠপর্যায়ে গাছের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন: ছয় মাসে ২ কোটি ২২ লাখ বৃক্ষরোপণ করে ৪৩% লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দাবি সরকারের
দেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ঘিরে প্রশ্ন: জাতিসংঘের উদ্বেগ, ভারতের তদন্তে একিউআইএস-এর শীর্ষ নেতা ইকরামুলের নাম
ই-রিটার্নে পরিবর্তন: জেনে নিন দুই চাকরির আয় দেখানোর সহজ উপায়
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ৬০ শতাংশের উৎপাদন বন্ধ, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে একসময়ের রপ্তানিমুখী ওষুধ শিল্প
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ, কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা
পুলিশের গল্পের চিত্রনাট্য ভালো, তবে পাগলেও বিশ্বাস করবে না: শিক্ষক-মহিলা পরিষদ
মেজর জিয়াকে ‘ঘোষক’ বানানো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: তারেক রহমানকে “১ দফার ঘোষক” দাবি বিএনপির
জুলাই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের সময় হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি ছিলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথিদের উপস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দ ও কিছু আহত প্রামাণ্যচিত্রকে ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ করেন।
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেন, চিত্রটিতে জুলাইর ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি এবং এতে অসামঞ্জস্য রয়েছে। বিশেষ করে এক দফা দাবির ঘোষণাকারী হিসেবে তারেক রহমানের উপস্থাপনা নিয়ে তাদের আপত্তি।
এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন দর্শকদের শান্ত থাকতে ও বসে থাকতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন,
প্রামাণ্যচিত্রে অনেক অসামঞ্জস্য আছে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বারবার মাইকে কথা বলেন এবং এনসিপি নেতাদের মঞ্চে এসে মত প্রকাশের সুযোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও মন্তব্য করেন। পরে মন্ত্রী আহমেদ আজম খান আশ্বস্ত করেন, অসামঞ্জস্য থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেও য়া হবে। এ ঘটনা ‘ঘোষকের রাজনীতি’কে সামনে এনেছে। বিএনপি নেতারা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে এক দফা দাবির ঘোষণা সর্বপ্রথম তারেক রহমানই দিয়েছিলেন। তারা মেজর জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবি করে থাকেন এবং এখন তার পুত্র তারেক রহমানকে ‘২৪-এর একদফার ঘোষক’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা এক দফা দাবিকে
ছাত্রনেতৃত্বের অবদান হিসেবে দেখেন এবং কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব দাবির বিরোধিতা করেন। প্রামাণ্যচিত্রে তারেক রহমানকে এক দফার ঘোষক হিসেবে দেখানোর অভিযোগ এবং এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অতিথিদের সামনে প্রতিবাদ জুলাইর ইতিহাস নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। সরকার ও বিরোধীরা উভয়ই সরকার পতনকে জনগণের আন্দোলন বলে দাবি করলেও এর নেতৃত্ব ও ঘোষণার কৃতিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক দাবি-পাল্টা দাবি অব্যাহত রয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে কর্তৃপক্ষ প্রামাণ্যচিত্রের বিষয়ে পর্যালোচনার আশ্বাস দিলেও এনসিপির আপত্তি এবং হট্টগোলের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জুলাই চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণের নামে এ ধরনের উপস্থাপনা কতটা নিরপেক্ষ—সে প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।
প্রামাণ্যচিত্রে অনেক অসামঞ্জস্য আছে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বারবার মাইকে কথা বলেন এবং এনসিপি নেতাদের মঞ্চে এসে মত প্রকাশের সুযোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও মন্তব্য করেন। পরে মন্ত্রী আহমেদ আজম খান আশ্বস্ত করেন, অসামঞ্জস্য থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেও য়া হবে। এ ঘটনা ‘ঘোষকের রাজনীতি’কে সামনে এনেছে। বিএনপি নেতারা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে এক দফা দাবির ঘোষণা সর্বপ্রথম তারেক রহমানই দিয়েছিলেন। তারা মেজর জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবি করে থাকেন এবং এখন তার পুত্র তারেক রহমানকে ‘২৪-এর একদফার ঘোষক’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা এক দফা দাবিকে
ছাত্রনেতৃত্বের অবদান হিসেবে দেখেন এবং কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব দাবির বিরোধিতা করেন। প্রামাণ্যচিত্রে তারেক রহমানকে এক দফার ঘোষক হিসেবে দেখানোর অভিযোগ এবং এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অতিথিদের সামনে প্রতিবাদ জুলাইর ইতিহাস নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। সরকার ও বিরোধীরা উভয়ই সরকার পতনকে জনগণের আন্দোলন বলে দাবি করলেও এর নেতৃত্ব ও ঘোষণার কৃতিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক দাবি-পাল্টা দাবি অব্যাহত রয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে কর্তৃপক্ষ প্রামাণ্যচিত্রের বিষয়ে পর্যালোচনার আশ্বাস দিলেও এনসিপির আপত্তি এবং হট্টগোলের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জুলাই চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণের নামে এ ধরনের উপস্থাপনা কতটা নিরপেক্ষ—সে প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।



