ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খোদ চাঁদপুরেই মধ্যবিত্তের নাগালের অনেক বাইরে সাধের ইলিশ, ডিমের কেজিও ৬ হাজার
এনসিটিবিতে দুর্নীতির পাহাড়: এক বছরে ২৭১১ কোটি টাকার মহালুটপাট
ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর……
তিনগুণ মূল্যে গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব পেট্রোনাসের
২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে ৫০০ শতাংশ, ২০২৪ সালেই মৃত্যু ১৪ হাজার
মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনার এক বছর: চোখের জলে সেই ভয়াল দুপুরের স্মৃতিচারণ শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে অবহেলার মামলা
ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলামের আদালতে এ আবেদন দায়ের করেন নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার (উক্য চিং মারমা) বাবা উসাইমং মারমা। উক্য ছাইং মারমা রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং সেনাবাহিনীতে অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন।
দুর্ঘটনার বিবরণ
২০২৫ সালের ২১ জুলাই দুপুরে (প্রায় ১টা ১৮ মিনিটে) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজিআই (চengdu J-7/FT-7BGI) প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দু’তলা ভবনে বিধ্বস্ত
হয়। ঘটনাস্থলে আগুন ধরে যায় এবং ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। উক্ত দূর্ঘটনায় নিহত হয় প্রায় ২০ থেকে ৩১ জনের মধ্যে যাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ও শিশু। আহতের সংখ্যা ১৬৫ থেকে ১৭১ জন। উক্য ছাইং মারমা গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর শরীরের বড় অংশ পুড়ে গিয়েছিল। মামলায় অভিযোগ আবেদনে অবহেলা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিমান প্রশিক্ষণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি এবং ঢাকা শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলায় প্রধান উল্লেখযোগ্য আসামিরা: মুহাম্মদ ইউনূস (১২ নম্বর আসামি) — ঘটনার সময় সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। পরিবেশ উপদেষ্টা
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনসহ অন্যান্য বিমান বাহিনী কর্মকর্তা (এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু ইত্যাদি)। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী। রাজউক চেয়ারম্যান ও ফিল্ড সুপারভাইজার (উত্তরা)। পরবর্তী তদন্তে (নভেম্বর ২০২৫) পাইলটের অপারেশনাল ত্রুটি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোকে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তদন্ত কমিটি ঢাকার বাইরে বিমান বাহিনীর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ স্থানান্তরের সুপারিশ করে। এ ঘটনা
দেশজুড়ে ব্যাপক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন ও শোক প্রকাশ করা হয়েছিল, তবে নিহতের পরিবারগুলো এখনো বিচার ও দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতা দাবি করে আসছে। আদালত এখন মামলার আবেদন গ্রহণ করে কোনো আদেশ দেবেন কি না, সে দিকে সবার দৃষ্টি। এ ঘটনা বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা, নগর পরিকল্পনা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে।
হয়। ঘটনাস্থলে আগুন ধরে যায় এবং ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। উক্ত দূর্ঘটনায় নিহত হয় প্রায় ২০ থেকে ৩১ জনের মধ্যে যাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ও শিশু। আহতের সংখ্যা ১৬৫ থেকে ১৭১ জন। উক্য ছাইং মারমা গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর শরীরের বড় অংশ পুড়ে গিয়েছিল। মামলায় অভিযোগ আবেদনে অবহেলা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিমান প্রশিক্ষণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি এবং ঢাকা শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলায় প্রধান উল্লেখযোগ্য আসামিরা: মুহাম্মদ ইউনূস (১২ নম্বর আসামি) — ঘটনার সময় সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। পরিবেশ উপদেষ্টা
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনসহ অন্যান্য বিমান বাহিনী কর্মকর্তা (এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু ইত্যাদি)। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী। রাজউক চেয়ারম্যান ও ফিল্ড সুপারভাইজার (উত্তরা)। পরবর্তী তদন্তে (নভেম্বর ২০২৫) পাইলটের অপারেশনাল ত্রুটি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোকে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তদন্ত কমিটি ঢাকার বাইরে বিমান বাহিনীর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ স্থানান্তরের সুপারিশ করে। এ ঘটনা
দেশজুড়ে ব্যাপক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন ও শোক প্রকাশ করা হয়েছিল, তবে নিহতের পরিবারগুলো এখনো বিচার ও দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতা দাবি করে আসছে। আদালত এখন মামলার আবেদন গ্রহণ করে কোনো আদেশ দেবেন কি না, সে দিকে সবার দৃষ্টি। এ ঘটনা বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা, নগর পরিকল্পনা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে।



