ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস
আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার
আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ
কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন
ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব
মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার
“সবাই শুধু মৃত্যুর পর পোস্ট দিয়ে আক্ষেপ করে, কিন্তু বেঁচে থাকার তীব্র আশা নিয়েও আর বেঁচে থাকা যায় না।”— কথাগুলো এক অসহায় নারীর, যিনি গত চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর মুক্তির অপেক্ষায় এবং তীব্র অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। সমাজ, রাজনীতি আর আত্মীয়-স্বজন—সব জায়গা থেকে উপেক্ষিত হয়ে আজ তিনি বাঁচার পথ খুঁজছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বোনের পাঠানো বার্তায় উঠে এসেছে আমাদের সমাজের এক নির্মম চিত্র। চার মাস আগে একটি মিছিল থেকে ‘মব’ (গণপিটুনি) দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছিল তাঁর স্বামীকে।
সেই থেকে তিনি কারাগারে। কিন্তু বাইরের পৃথিবীতে তাঁর স্ত্রী যে কতটা অসহায় অবস্থায় আছেন, তার খবর কেউ রাখেনি। ভুক্তভোগী ওই
নারী জানান, গত চার মাস ধরে তিনি একা লড়াই করে যাচ্ছেন। বাসা ভাড়া দেওয়া তো দূরের কথা, দুমুঠো ভাত জোগাড় করাই এখন তাঁর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে কেউ একবারের জন্যও খোঁজ নেয়নি তিনি কীভাবে বেঁচে আছেন। কারাগারে স্বামীর অবস্থাও ভালো নেই। তিনি জানান, জেলের ভেতর অসুস্থ হয়ে দুই দিন হাসপাতেলে ভর্তি ছিলেন তাঁর স্বামী। গত সপ্তাহে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে অনেকগুলো টেস্ট ও ঔষধ দেওয়া হয়, কিন্তু সেই ঔষধ কেনার বা চিকিৎসার খরচ জোগানোর সামর্থ্য এই মুহূর্তে তাঁর নেই। পরিবারের সমর্থনের জায়গাও শূন্য। তিনি জানান, শ্বশুর-শাশুড়ি বেঁচে নেই। নিজের বাবাও মাত্র ৮-৯ মাস আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন। রক্তের সম্পর্কের বা আপন বলতে পাশে দাঁড়ানোর মতো আর কেউ নেই। একসময় রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, “রাজনীতি করে আমি নিজেও অপমান আর বহিষ্কার ছাড়া কিছুই পাইনি।” যে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ দুঃসময়ে সেই দলের কাউকেই পাশে পাচ্ছেন না তিনি। চারপাশের এত মানুষের ভিড়েও আজ তিনি বড় একা। তাঁর এই আর্তনাদ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমরা ভার্চুয়াল জগতে যতটা সরব, মানবিকতায় ঠিক ততটাই নীরব। এই বোনের পাশে দাঁড়ানো এখন সমাজের বিত্তবান ও মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষদের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন, মৃত্যুর পর আফসোস না করে, জীবিত থাকতেই মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াই।
নারী জানান, গত চার মাস ধরে তিনি একা লড়াই করে যাচ্ছেন। বাসা ভাড়া দেওয়া তো দূরের কথা, দুমুঠো ভাত জোগাড় করাই এখন তাঁর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে কেউ একবারের জন্যও খোঁজ নেয়নি তিনি কীভাবে বেঁচে আছেন। কারাগারে স্বামীর অবস্থাও ভালো নেই। তিনি জানান, জেলের ভেতর অসুস্থ হয়ে দুই দিন হাসপাতেলে ভর্তি ছিলেন তাঁর স্বামী। গত সপ্তাহে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে অনেকগুলো টেস্ট ও ঔষধ দেওয়া হয়, কিন্তু সেই ঔষধ কেনার বা চিকিৎসার খরচ জোগানোর সামর্থ্য এই মুহূর্তে তাঁর নেই। পরিবারের সমর্থনের জায়গাও শূন্য। তিনি জানান, শ্বশুর-শাশুড়ি বেঁচে নেই। নিজের বাবাও মাত্র ৮-৯ মাস আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন। রক্তের সম্পর্কের বা আপন বলতে পাশে দাঁড়ানোর মতো আর কেউ নেই। একসময় রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, “রাজনীতি করে আমি নিজেও অপমান আর বহিষ্কার ছাড়া কিছুই পাইনি।” যে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ দুঃসময়ে সেই দলের কাউকেই পাশে পাচ্ছেন না তিনি। চারপাশের এত মানুষের ভিড়েও আজ তিনি বড় একা। তাঁর এই আর্তনাদ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমরা ভার্চুয়াল জগতে যতটা সরব, মানবিকতায় ঠিক ততটাই নীরব। এই বোনের পাশে দাঁড়ানো এখন সমাজের বিত্তবান ও মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষদের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন, মৃত্যুর পর আফসোস না করে, জীবিত থাকতেই মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াই।



