ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
পৃথিবীর কোনো দেশ আমাদের মতো দ্রুত টিকা যোগাড় করতে পারেনি, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
“হাম হলে আয়ু বাড়ে”—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেপরোয়া মন্তব্যে ক্ষোভ, নেপথ্যে ইউনূস-নুরজাহানের টিকা ব্যর্থতা ধামাচাপার চেষ্টা?
হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯
আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান
মৃত্যু মিছিলে চট্টগ্রাম: হাম ও নিউমোনিয়ায় বিপর্যস্ত চমেক হাসপাতাল, ৪ মাসে মৃত্যু ২৮৫ শিশুর
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৬ শিশু।
বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মাইনউদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে একজনের বয়স মাত্র তিন মাস। তার বাড়ি নেত্রকোনা সদরে। তাকে গত ১৭ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অন্য শিশুটির বয়স আট মাস। সে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা। ১৮ মার্চ হামের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
ডা. মো. মাইনউদ্দিন খান জানান,
গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২৪ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩৯ জন। তবে সংক্রমণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের বিশেষ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও ৭৬ শিশু। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম মাওলা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। এটি হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে হাসপাতালে আসা অনেক শিশুর শরীরে হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো জটিল উপসর্গ দেখা দিচ্ছে যা মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।
গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২৪ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩৯ জন। তবে সংক্রমণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের বিশেষ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও ৭৬ শিশু। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম মাওলা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। এটি হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে হাসপাতালে আসা অনেক শিশুর শরীরে হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো জটিল উপসর্গ দেখা দিচ্ছে যা মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।



