ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় নিন্দা, জড়িতদের বিচারের দাবি ‘মাকাম’-এর
মঙ্গার আগমন ধ্বনি? জ্বালানি সংকটে রংপুরে সেচ বন্ধ, জমি ফেটে চৌচির
শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর মৌলবাদীদের হামলা
এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার
কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে
তেজগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১
মব সংস্কৃতির জন্মদাতা ও পৃষ্ঠপোষক মবের বিরুদ্ধেই সোচ্চার!
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাজারে হামলা ও পীর শামীম রেজা জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে একের পর এক ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনির ঘটনার নেপথ্যে যাদের নাম বারবার উচ্চারিত হয়েছে, সেই এনসিপির মুখে মব-বিরোধী কথা শুনে খোদ রাজনৈতিক অঙ্গনেই হাসির রোল পড়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন যাঁরা নিজেরা মব সংস্কৃতির জন্মদাতা ও পৃষ্ঠপোষক, তাঁরা আজ কোন মুখে আইনের শাসনের কথা বলছেন?
শনিবার (১২ এপ্রিল) রাতে এনসিপির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে মবকে ‘গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসাথে তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যর্থতার কড়া সমালোচনা করেছে। কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এবং তার পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে মব সন্ত্রাস চালিয়ে বিরোধী মত দমন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং জোরপূর্বক পদত্যাগের যে মহোৎসব চলেছিল, তাতে এনসিপির নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অজস্র অভিযোগ রয়েছে। সেই ‘মবের রাজা’রা যখন আজ মব থামানোর নসিহত দেয়, তখন তাকে ‘চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী’ ছাড়া আর কিছুই মনে করছেন না সচেতন মহল। এনসিপি তাদের বিবৃতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাসস-এ সরকার সমর্থকদের মব করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার সমালোচনা করেছে। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এনসিপি নিজেরাই একাধিক প্রতিষ্ঠানে তান্ডব চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিজেদের অতীতের মব সন্ত্রাসের দায় এড়াতে
এবং বর্তমান সরকারকে বিব্রত করতেই তারা এখন মব-বিরোধী এই ‘ছদ্মবেশী’ অবস্থান নিয়েছে। দৌলতপুরের ঘটনায় এনসিপি দাবি করেছে, স্থানীয় ক্ষমতার ছত্রছায়া ছাড়া এমন সহিংসতা সম্ভব নয়। অথচ ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রায় প্রতিটি সহিংসতায় এনসিপির স্থানীয় নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট বাহিনীর নাম শোনা গেছে। কুষ্টিয়ার মাজার হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুকে কেন্দ্র করে এনসিপি এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দোহাই দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনসিপির এই বিবৃতির তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। নেটিজেনরা বলছেন, যারা ৫ আগস্টের পর রাজপথ ও সরকারি অফিসে মব লিড করে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল, তাদের মুখে এখন মানবতার বুলি
শোভা পায় না। একজনের ভাষায়, “মবের রাজা এনসিপি এসে এখন মবের বিরুদ্ধে বলছে এটা বছরের সেরা জোকস।” নির্বাচনী ইশতেহার ভঙ্গ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে এনসিপি সরকার তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যে সমালোচনা করেছে, তা মূলত তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনারই বহিঃপ্রকাশ। নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তারা এখন মব-বিরোধী অবস্থানের নাটক সাজিয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষ ভুলে যায়নি, কারা এই দেশে মব সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এবং তার পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে মব সন্ত্রাস চালিয়ে বিরোধী মত দমন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং জোরপূর্বক পদত্যাগের যে মহোৎসব চলেছিল, তাতে এনসিপির নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অজস্র অভিযোগ রয়েছে। সেই ‘মবের রাজা’রা যখন আজ মব থামানোর নসিহত দেয়, তখন তাকে ‘চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী’ ছাড়া আর কিছুই মনে করছেন না সচেতন মহল। এনসিপি তাদের বিবৃতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাসস-এ সরকার সমর্থকদের মব করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার সমালোচনা করেছে। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এনসিপি নিজেরাই একাধিক প্রতিষ্ঠানে তান্ডব চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিজেদের অতীতের মব সন্ত্রাসের দায় এড়াতে
এবং বর্তমান সরকারকে বিব্রত করতেই তারা এখন মব-বিরোধী এই ‘ছদ্মবেশী’ অবস্থান নিয়েছে। দৌলতপুরের ঘটনায় এনসিপি দাবি করেছে, স্থানীয় ক্ষমতার ছত্রছায়া ছাড়া এমন সহিংসতা সম্ভব নয়। অথচ ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রায় প্রতিটি সহিংসতায় এনসিপির স্থানীয় নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট বাহিনীর নাম শোনা গেছে। কুষ্টিয়ার মাজার হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুকে কেন্দ্র করে এনসিপি এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দোহাই দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনসিপির এই বিবৃতির তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। নেটিজেনরা বলছেন, যারা ৫ আগস্টের পর রাজপথ ও সরকারি অফিসে মব লিড করে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল, তাদের মুখে এখন মানবতার বুলি
শোভা পায় না। একজনের ভাষায়, “মবের রাজা এনসিপি এসে এখন মবের বিরুদ্ধে বলছে এটা বছরের সেরা জোকস।” নির্বাচনী ইশতেহার ভঙ্গ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে এনসিপি সরকার তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যে সমালোচনা করেছে, তা মূলত তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনারই বহিঃপ্রকাশ। নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তারা এখন মব-বিরোধী অবস্থানের নাটক সাজিয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষ ভুলে যায়নি, কারা এই দেশে মব সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।



