এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ এপ্রিল, ২০২৬

এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ এপ্রিল, ২০২৬ |
বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, গত ১৫ মার্চ থেকে মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে হাম নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অন্তত ১৬৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৪১ জন শিশু। হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজারে পৌঁছেছে, যা দেশজুড়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালগুলোতে হাম আক্রান্ত শিশুদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঢাকার ডিএনসিসি হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন করে শিশুরা ভর্তি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আইসিইউ বেডের অভাবে চিকিৎসা নিয়ে জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ

হামের প্রাদুর্ভাব। হামের ভয়াবহতা কেন এতটা উদ্বেগজনক? হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ১২ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত সুস্থ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর জটিলতা আরও মারাত্মক: প্রধান লক্ষণ: উচ্চ জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীরে লাল ফুসকুড়ি। জটিলতা: নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কানের সংক্রমণ, মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) এবং এমনকি দৃষ্টিশক্তি হারানো বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ করে ৫ বছরের নিচের শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু এবং যাদের টিকা নেওয়া হয়নি, তাদের জন্য এ রোগ প্রাণঘাতী। এবারের প্রাদুর্ভাবে দেখা যাচ্ছে যে, অধিকাংশ মৃত্যু ৬ মাস থেকে ৫

বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে টিকা না নেওয়া বা অসম্পূর্ণ টিকাদানই এর অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। হামের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; চিকিৎসা শুধুমাত্র লক্ষণভিত্তিক এবং সাপোর্টিভ কেয়ারের উপর নির্ভর করে। সরকার ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সকল অভিভাবককে আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকা (এমআর টিকা) নিশ্চিত করতে। হাম আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা, হাত ধোয়া এবং মাস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা আরও জোরদার করা এবং টিকাদানের হার বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিশুদের সুরক্ষায় সকলের সচেতনতা এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিআরটিএর ওয়েবসাইট ক্লোন: এআই ক্যামেরার ভুয়া মামলায় গচ্চা লাখ লাখ টাকা, বিদেশি চক্রের ফাঁদ এইচএসসিতেও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি: সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন নির্দেশনা জারি বৃথা গেল শরিফুলের ৬ উইকেট, কনোলির প্রথম সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার রোমাঞ্চকর জয় ইন্টারপোলের রেড নোটিশে নেই বেনজীর আহমেদের নাম, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ দিতে চাওয়া সেই সোহাগ পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার টেকনাফে মাটির নিচে ‘বারুদের স্তূপ’: টেকনাফে মাটির তলদেশ থেকে ১০টি তাজা গ্রেনেড ও বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার খুলনায় মসজিদে সশস্ত্র হামলা: চাঁদাবাজি নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতা? তদন্তে পুলিশ মৌলবাদীদের পথেই হাটলেন মন্ত্রী পরিষদঃ প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রীপরিষদের অসন্মতি ব্র্যাককে বিদেশী অনুদানে কর রেয়াত: চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ভূমিকার পুরস্কার? হামের টিকাদানের ৯ সপ্তাহেও তৈরি হয়নি অ্যান্টিবডি, টিকার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বাদ দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে বিএনপির দুই এমপির প্রতিষ্ঠানের গোপন প্রস্তাব বেড়িবাঁধ কাটা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০ ফুটবল জ্বরে বিশ্ব, রাত জাগলেও চাই শরীরের যত্ন ব্রাজিলভক্ত পড়শীর ফেসবুক পোস্ট, নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া যেভাবে দুবাই থেকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হবে বেনজীর আহমেদকে জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের লেবাননে ইসরাইলের রাসায়নিক ‘গ্লাইফোসেট’ ব্যবহারের অভিযোগ দেশে ফিরেছেন ৫৫ হাজার ১৩৩ হাজি সাইবার হামলার শিকার ইরানের ৪ প্রধান ব্যাংক প্রেমের বিয়ের জেরে থানার ভেতরেই মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করলেন বাবা-মা