ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় নিন্দা, জড়িতদের বিচারের দাবি ‘মাকাম’-এর
মব সংস্কৃতির জন্মদাতা ও পৃষ্ঠপোষক মবের বিরুদ্ধেই সোচ্চার!
শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর মৌলবাদীদের হামলা
এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার
কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে
তেজগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১
মঙ্গার আগমন ধ্বনি? জ্বালানি সংকটে রংপুরে সেচ বন্ধ, জমি ফেটে চৌচির
রংপুরে তীব্র জ্বালানি সংকটে কৃষি খাতে চরম বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ডিজেলের অভাবে সেচ পাম্পগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, ফলে বোরো ধানের জমি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে এবং দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
সময়ে সেচ দেওয়া না গেলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। সংকট নিরসনে দ্রুত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষি সংশ্লিষ্টরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। জাদুঘরে ঠাঁই নেওয়া উত্তরবঙ্গের চিরায়ত মঙ্গা আবার ফিরে আসছে কিনা, এমন কথা বলছেন সবাই।
গংগাচড়া উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সেচ পাম্পই ডিজেলের অভাবে বন্ধ। ফলে জমিতে নিয়মিত পানি দেওয়া যাচ্ছে না এবং ফসল
নষ্ট হওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। কৃষকদের অভিযোগ, আগে সহজেই ডিজেল পাওয়া গেলেও এখন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে দুই-তিন লিটারের বেশি দেওয়া হচ্ছে না, যা দিয়ে সেচ চালানো প্রায় অসম্ভব। স্থানীয় কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, “সময়ে পানি দিতে না পারলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। তেল না পেয়ে আমরা দিশেহারা।” আরেক কৃষক মো. বেল্লাল হোসেন জানান, বোতলে তেল নিতে গেলে তা দেওয়া হচ্ছে না; বরং শ্যালো মেশিন নিয়ে আসতে বলা হচ্ছে, যা তাদের জন্য ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। সেচের ডিজেল না পেয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন কৃষক, ক্ষতির মুখে বোরো আবাদ ফসল বাঁচাতে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিন নিয়ে পাম্পে
যাচ্ছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর অঞ্চলের অধিকাংশ সেচ ব্যবস্থা ডিজেলনির্ভর হওয়ায় বর্তমান সংকটে সেচ কার্যক্রম প্রায় স্থবির। এ বছর জেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষ সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই সময়ে পর্যাপ্ত সেচ না পেলে বোরো ধানের ফলন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। এতে মঙ্গা পরিস্থিতি উদ্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষেতমজুর পরিষদের নেতা আনোয়ার হোসেন বাবলু সরকারের মনিটরিং দুর্বলতাকে দায়ী করে বলেন, “অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।” গোপালগঞ্জে ডিজেল সংকটে বোরো ধান ও পাট চাষে সেচ ব্যাহত, কৃষকদের দুশ্চিন্তা তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি তৈরি
হতে পারে। বিদ্যুৎচালিত সেচ ব্যবস্থাও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছে না, কারণ ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির প্রভাবেই এ সংকট তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নষ্ট হওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। কৃষকদের অভিযোগ, আগে সহজেই ডিজেল পাওয়া গেলেও এখন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে দুই-তিন লিটারের বেশি দেওয়া হচ্ছে না, যা দিয়ে সেচ চালানো প্রায় অসম্ভব। স্থানীয় কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, “সময়ে পানি দিতে না পারলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। তেল না পেয়ে আমরা দিশেহারা।” আরেক কৃষক মো. বেল্লাল হোসেন জানান, বোতলে তেল নিতে গেলে তা দেওয়া হচ্ছে না; বরং শ্যালো মেশিন নিয়ে আসতে বলা হচ্ছে, যা তাদের জন্য ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। সেচের ডিজেল না পেয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন কৃষক, ক্ষতির মুখে বোরো আবাদ ফসল বাঁচাতে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিন নিয়ে পাম্পে
যাচ্ছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর অঞ্চলের অধিকাংশ সেচ ব্যবস্থা ডিজেলনির্ভর হওয়ায় বর্তমান সংকটে সেচ কার্যক্রম প্রায় স্থবির। এ বছর জেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষ সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই সময়ে পর্যাপ্ত সেচ না পেলে বোরো ধানের ফলন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। এতে মঙ্গা পরিস্থিতি উদ্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষেতমজুর পরিষদের নেতা আনোয়ার হোসেন বাবলু সরকারের মনিটরিং দুর্বলতাকে দায়ী করে বলেন, “অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।” গোপালগঞ্জে ডিজেল সংকটে বোরো ধান ও পাট চাষে সেচ ব্যাহত, কৃষকদের দুশ্চিন্তা তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি তৈরি
হতে পারে। বিদ্যুৎচালিত সেচ ব্যবস্থাও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছে না, কারণ ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির প্রভাবেই এ সংকট তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।



