ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!
টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে দলীয় কোন্দল: ফেনী জেলা বিএনপির নেতাকে হত্যাচেষ্টা
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়। ইউনুস–জামাতের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মানেই টার্গেট।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় প্রায় দুইশ বছরের পুরোনো শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা দেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে আবারও ভয়ংকর প্রশ্ন তুলেছে। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নের চালিয়া বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোনো উস্কানি ছাড়াই ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরটি ভ্যাকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
বরুড়া পৌরসভার দেওড়া ভূঁইয়া বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফাহিম এক ভ্যাকু চালকের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। এই মন্দির শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং ওই এলাকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শতাব্দীপ্রাচীন বিশ্বাস ও ইতিহাসের অংশ। তবুও
দিনের আলো ফুরোতেই এমন দুঃসাহসী হামলা প্রমাণ করে, উগ্রবাদীরা এখন আর কিছুই ভয় পায় না। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সময়ে ক্ষমতার ছায়া পেয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর, নিপীড়ন ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এক ধরনের অঘোষিত নিপীড়ন নেমে এসেছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জামায়াত-বিএনপি রাজনীতির উত্থান ঘটলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি টার্গেট হয়। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে উগ্রবাদীরাই আইন হয়ে উঠবে, আর সংখ্যালঘুরা থেকে যাবে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।
দিনের আলো ফুরোতেই এমন দুঃসাহসী হামলা প্রমাণ করে, উগ্রবাদীরা এখন আর কিছুই ভয় পায় না। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সময়ে ক্ষমতার ছায়া পেয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর, নিপীড়ন ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এক ধরনের অঘোষিত নিপীড়ন নেমে এসেছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জামায়াত-বিএনপি রাজনীতির উত্থান ঘটলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি টার্গেট হয়। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে উগ্রবাদীরাই আইন হয়ে উঠবে, আর সংখ্যালঘুরা থেকে যাবে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।



