ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
রাজধানীর কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপোতে (শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে অবস্থিত) বিপুল পরিমাণ জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) চুরির অভিযোগ উঠেছে। নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল পদ্মা অয়েল ডিপো থেকে কুর্মিটোলা ডিপোতে পরিবহনের পথে অন্তত ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় পদ্মা অয়েল পিএলসির একটি তদন্ত দল আজ শনিবার সকাল থেকে কুর্মিটোলা ডিপোতে সরেজমিনে কাজ শুরু করেছে।
সুত্র জানায়, গত ১১ই মার্চ, বুধবার গোদনাইল ডিপো থেকে জেট ফুয়েলবাহী অন্তত চারটি ট্যাঙ্কার (প্রতিটিতে প্রায় ১৮ হাজার লিটার করে) কুর্মিটোলা ডিপোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু এই ট্যাঙ্কারগুলো নির্ধারিত সময়ে ডিপোতে পৌঁছায়নি বা পরিমাণে ঘাটতি দেখা যায়। ফলে মোট ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল
চুরির অভিযোগ ওঠে। বর্তমান বাজারমূল্যে (প্রতি লিটার জেট ফুয়েল প্রায় ১২৯-১৩০ টাকা বা তার বেশি) এই পরিমাণ জ্বালানির আনুমানিক মূল্য ৯৩ লাখ টাকারও বেশি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশে জেট ফুয়েলের চাহিদা ও দাম বেড়েছে, যা চোরদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। কয়েকটি সূত্রে অভিযোগ উঠেছে যে, কুর্মিটোলা ডিপোর একটি সিন্ডিকেট এই চুরির পেছনে রয়েছে। বিশেষ করে ডিপোর একজন কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাইদুল হক-এর নাম উঠে এসেছে, যাকে গত বছরের জানুয়ারিতে সতর্ক করা হলেও- অভিযোগ অনুযায়ী, তার দৌরাত্ম্য থামেনি। এছাড়া ১৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিক চুরির ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে। পদ্মা অয়েল পিএলসির তদন্ত দল আজ সকাল ৭টা থেকে কুর্মিটোলা
ডিপোতে পৌঁছে:সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করছে। কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ট্যাঙ্কারের রুট, জিপিএস ট্র্যাকিং ও লোড-আনলোডের রেকর্ড পরীক্ষা করছে। পদ্মা অয়েলের একজন কর্মকর্তা জানান, “এটি একটি গুরুতর অভিযোগ। আমরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।” প্রভাব ও প্রশ্নএই চুরির ফলে শাহজালাল বিমানবন্দরের জেট ফুয়েল সরবরাহে সাময়িক চাপ পড়তে পারে, যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত এমন গুরুত্বপূর্ণ ডিপোতে কীভাবে এত বড় চুরি সম্ভব হলো? সিন্ডিকেটের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া কি এমন ঘটনা ঘটতে পারে? তদন্তের ফলাফল প্রকাশ পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা বা গ্রেপ্তারের
খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি দেশের জ্বালানি খাতে নতুন করে নজরদারি বাড়ানোর দাবি তুলেছে।
চুরির অভিযোগ ওঠে। বর্তমান বাজারমূল্যে (প্রতি লিটার জেট ফুয়েল প্রায় ১২৯-১৩০ টাকা বা তার বেশি) এই পরিমাণ জ্বালানির আনুমানিক মূল্য ৯৩ লাখ টাকারও বেশি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশে জেট ফুয়েলের চাহিদা ও দাম বেড়েছে, যা চোরদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। কয়েকটি সূত্রে অভিযোগ উঠেছে যে, কুর্মিটোলা ডিপোর একটি সিন্ডিকেট এই চুরির পেছনে রয়েছে। বিশেষ করে ডিপোর একজন কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাইদুল হক-এর নাম উঠে এসেছে, যাকে গত বছরের জানুয়ারিতে সতর্ক করা হলেও- অভিযোগ অনুযায়ী, তার দৌরাত্ম্য থামেনি। এছাড়া ১৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিক চুরির ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে। পদ্মা অয়েল পিএলসির তদন্ত দল আজ সকাল ৭টা থেকে কুর্মিটোলা
ডিপোতে পৌঁছে:সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করছে। কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ট্যাঙ্কারের রুট, জিপিএস ট্র্যাকিং ও লোড-আনলোডের রেকর্ড পরীক্ষা করছে। পদ্মা অয়েলের একজন কর্মকর্তা জানান, “এটি একটি গুরুতর অভিযোগ। আমরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।” প্রভাব ও প্রশ্নএই চুরির ফলে শাহজালাল বিমানবন্দরের জেট ফুয়েল সরবরাহে সাময়িক চাপ পড়তে পারে, যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত এমন গুরুত্বপূর্ণ ডিপোতে কীভাবে এত বড় চুরি সম্ভব হলো? সিন্ডিকেটের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া কি এমন ঘটনা ঘটতে পারে? তদন্তের ফলাফল প্রকাশ পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা বা গ্রেপ্তারের
খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি দেশের জ্বালানি খাতে নতুন করে নজরদারি বাড়ানোর দাবি তুলেছে।



