ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এপস্টেইন-বিতর্কের জেরে গেটস ফাউন্ডেশনে অনুদান দেওয়া বন্ধ করলেন বাফেট
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ব্যার্থ: টানা চতুর্থ রাতেও হামলা, হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে নৌ-অবরোধ
মার্কিন আগ্রাসন চললে কখনই খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান
হরমুজ প্রণালিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
হুথিদের অভিযোগের তির এবার সৌদির দিকে!
মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত
ভারতে ভোটারদের ‘প্রভাবিত করতে’ ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করত যুক্তরাষ্ট্র!
ভারতের জনগণকে ভোটদানে উৎসাহ দিতে ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করত ওয়াশিংটন! এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির অভিযোগ, ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে বিদেশি রাষ্ট্রগুলো। আর সেখান থেকে অনেকেই ফায়দা লুটেছে।
যদিও গেরুয়া শিবিরের দাবি, এ ঘটনায় তারা মোটেই উপকৃত হয়নি। বরং আঙুল উঠেছে কংগ্রেস এবং গান্ধী পরিবারের দিকেই।
বিষয়টি আসলে কী?
এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট ইফিশিয়েন্সির তরফে রোববার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়।
ওই পোস্টে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের খরচে কাটছাঁট করতে বেশকিছু অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে। বিশ্বের নানা দেশে কোন প্রকল্পগুলো বন্ধ হবে, তার তালিকাও দেওয়া হয়েছে ওই পোস্টে।
সেই তালিকায় দেখা
যায়, ভারতীয়দের নির্বাচনে উৎসাহিত করতে ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করত আমেরিকা। ভারতীয় মুদ্রায় এই অঙ্কটা প্রায় ১৮২ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পরেই বিরোধীদের ওপর আঙুল তুলেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির জাতীয় মুখপাত্র অমিত মালব্য বিস্ময় প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ভোটদানে উৎসাহ দিতে ২১ মিলিয়ন ডলার? এটার স্পষ্ট অর্থ- ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ ছিল। তার ফলে কারা সুবিধা পেয়েছে? শাসক দল পায়নি সেটা হলফ করে বলতে পারি’। বিরোধী দল কংগ্রেস এবং গান্ধী পরিবারের সঙ্গে মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরসের সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করে মালব্যর দাবি, ‘ভারতের নির্বাচনে সোরসের কালো ছায়া পড়েছে’। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ভারতের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করে
দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেম। এই সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে সোরসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের। ওই ফাউন্ডেশনকে বিপুল অর্থ যোগায় মার্কিন সরকারের অন্তর্গত USAID-ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। এই তথ্য তুলে ধরেই মালব্যের অভিযোগ, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার সুপরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহী শক্তিগুলোকে ভারতে অনুপ্রবেশের পথ করে দিয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
যায়, ভারতীয়দের নির্বাচনে উৎসাহিত করতে ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করত আমেরিকা। ভারতীয় মুদ্রায় এই অঙ্কটা প্রায় ১৮২ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পরেই বিরোধীদের ওপর আঙুল তুলেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির জাতীয় মুখপাত্র অমিত মালব্য বিস্ময় প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ভোটদানে উৎসাহ দিতে ২১ মিলিয়ন ডলার? এটার স্পষ্ট অর্থ- ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ ছিল। তার ফলে কারা সুবিধা পেয়েছে? শাসক দল পায়নি সেটা হলফ করে বলতে পারি’। বিরোধী দল কংগ্রেস এবং গান্ধী পরিবারের সঙ্গে মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরসের সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করে মালব্যর দাবি, ‘ভারতের নির্বাচনে সোরসের কালো ছায়া পড়েছে’। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ভারতের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করে
দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেম। এই সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে সোরসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের। ওই ফাউন্ডেশনকে বিপুল অর্থ যোগায় মার্কিন সরকারের অন্তর্গত USAID-ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। এই তথ্য তুলে ধরেই মালব্যের অভিযোগ, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার সুপরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহী শক্তিগুলোকে ভারতে অনুপ্রবেশের পথ করে দিয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস



