ভাঙাড়ি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে খুন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫

ভাঙাড়ি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে খুন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫ |
পুরান ঢাকায় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে ৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের মধ্যে হত্যা মামলায় তিন ও অস্ত্র মামলায় একজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার হত্যা মামলার আসামি আলমগীর, লম্বা মনির ও টিটন গাজী জবানবন্দিতে জানান, মাহমুদুল হাসান মহিনের পরিকল্পনায় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যা করা হয়। মহিনই অন্য আসামিদের ডেকে এনে সোহাগের ওপর হামলা চালান। আর লম্বা মনির আগের ক্ষোভ থেকে সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করেন। তবে জবানবন্দিতে নিজেরা হত্যা পরিকল্পনায় ছিলেন না বলে দাবি করেছেন তারা। মূলত আসামি

মহিনের নেতৃত্বে সেখানে যান বলে দাবি জানিয়েছেন। মহিনই মূল পরিকল্পনাকারী। জবানবন্দিতে তিন আসামি জানান, ঘটনার দিন মহিন ব্যবসার ব্যাপারে কথা বলতে গেলে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তখন মহিন অন্যদের ডেকে আনেন। এক পর্যায়ে দু’পক্ষ উত্তেজিত হলে সোহাগকে মারধর শুরু হয়। প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালের করিডোরের ভেতরে পাথর দিয়ে সোহাগকে তারা মারতে থাকেন। পরে টেনে রাস্তায় এনে হত্যা করা হয়। জবানবন্দিতে মনির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সোহাগ আসামি মনির ওরফে লম্বা মনিরকে মারধর করেন। এ ঘটনার ক্ষোভ থেকে তিনি পাথর দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করেন। আগের ক্ষোভ থেকে টিটন গাজী এবং আলমগীরও হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। রিমান্ড শেষে

হত্যা মামলার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তারা জবানবন্দি দেন। অস্ত্র মামলার আসামি তারেক হোসেন রবিন তার জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে মহিনসহ অন্যদের সঙ্গে নিহত সোহাগের ভাঙাড়ি ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এরই জেরে সোহাগকে খুন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রবিন জানান, মহিনসহ হত্যাকারীরা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে হাজী সেলিমের লোক হিসেবে একচেটিয়া ভাঙাড়ি ব্যবসা করেছেন। সরকার পতনের পর মহিনসহ অন্যরা যুবদলে যোগ দিয়ে একচেটিয়া ব্যবসা ও সিন্ডিকেট ধরে রাখেন। তিনি বলেন, নিহত সোহাগ ভাঙাড়ি ব্যবসার পাশাপাশি আগে থেকেই যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত। ৫ আগস্টের পর সোহাগ ভাঙাড়ি ব্যবসা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ

নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে মহিনদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত চলছে। পরিকল্পনাকারী আসামি মহিন রিমান্ডে আছেন। চাঁদাবাজি নয়, ঘটনার মূলে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণই মুখ্য ছিল। গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তদন্তের স্বার্থে অনেক কিছু এখন জানানো সম্ভব নয়।’ ডিএমপির কোতোয়ালি জোনের উপকমিশনার ফজলুল হক বলেন, ‘শুরুতে চাঁদাবাজির একটি আলোড়ন সৃষ্টি হলেও, এমন কিছু পাওয়া যায়নি। এখানে ভাঙাড়ি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণই ছিল সোহাগ হত্যার নেপথ্যে।’ গত ৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে সোহাগকে হত্যা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অ্যাপল কোম্পানির নেতৃত্বে নতুন মুখ ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যার ১০ বছর পর এক আসামি গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড শুক্রবারের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে : ট্রাম্প হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ তুলে নিলে আলোচনা শুরু হতে পারে: ইরান বাসভাড়া বাড়ছে বৃহস্পতিবার সৌদি থেকে ফিরেছেন আটকে পড়া ৩৩ বাংলাদেশি ওমরাহযাত্রী জেল থেকে বেরিয়ে রিহ্যাবে গেলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে নতুন বিতর্কে থালাপতি বিজয় শিশু থেকে শখের বাইক ট্র্যাক করুন স্বল্প খরচে খুনের মতো গুরুতর অপরাধ বেড়েছে নওগাঁয় চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা শক্তিশালী হলে শিবির সন্ত্রাসের বীজ বপন করে: নাছির ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত কাশি কমছে না? কারণ জেনে নিন হাম: জানতে হবে যে সব বিষয় লন্ডন উৎসবে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরল শ্রীলংকা এবার দুইটি কার্গো জাহাজ জব্দ করল ইরান