ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৩, আহত ১০
বিএনপির বড় সংকট ‘গুপ্ত জামায়াত’, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা আত্মঘাতী: আনিস আলমগীর
প্রতিপক্ষ ছোট ঘটনাকেও ন্যাশনাল ইস্যু বানায়, আমরা কেন পারছি না’—প্রশ্ন গোলাম রব্বানীর
‘আওয়ামী লীগ হারিয়ে যাওয়ার নয়, ৫০ গুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরবে’: ড. কার্জন
ফেনীতে টেন্ডার-চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা
‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জাতিসংঘের চিঠি’ বিষয়টি নিয়ে যা জানা গেল
নারী সেজে থাকা সেই ছাত্রদল নেতা বাস্তবে দেখতে কেমন, দেখুন ছবিতে
বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নামাজ, ইফতার কর্মসূচির আড়ালে ছাত্রদের আবার সংগঠিত করার ষড়যন্ত্র!
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর উপস্থিতিতে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। একদল শিক্ষার্থী এটিকে অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসের পরিপন্থী বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের দাঙ্গায় অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের এখন অব্দি দেশের সকল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক আবহে নিজেদের ব্যস্ত করে রেখেছেন। বৈষম্য ও কোটার বিরুদ্ধে, কখনো ভিন্ন মতাবলম্বী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে, কখনো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে, পরীক্ষা পেছানো, ছাত্র সংসদ নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে শিক্ষার্থীরা রাজপথেই রয়েছেন। পড়াশোনার এমন অবস্থায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরাও।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে—জুলাই আন্দোলনের সময়কার কথিত ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কি নামাজ পড়া, ইফতার পার্টির
আড়ালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পুনরায় ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠিত করে নতুন কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন? বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে যান নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। নামাজ শেষে তার সঙ্গে কয়েকজনের রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যা বুয়েটের অরাজনৈতিক চরিত্র রক্ষার অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। গভীর রাত ১টার দিকে শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলন করে তারা বলেন, “বুয়েটে যেকোনো রাজনৈতিক দলের যেকোনো কর্মকাণ্ড আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। আবরার ফাহাদ ও সাবেকুন্নাহার সনির মতো শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসকে আমরা রক্ষা করব।” এদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, কয়েকজন শিক্ষার্থীর আমন্ত্রণে তিনি নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। নামাজের পর রাজনৈতিক বক্তব্য
না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং কোনো বক্তব্য না দিয়েই চলে যান। তবে তার সঙ্গে আসা কয়েকজনের স্লোগানের কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের জনসংযোগ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এই ধরনের মসজিদকেন্দ্রিক জনসংযোগের উদ্দেশ্য কী—তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এ সকল মসজিদ কোনটিই পাটোয়ারীর নির্বাচনী এলাকায় না, এবং প্রতিটা মসজিদেই তিনি দলবল সহ যাচ্ছেন ও নামাজ শেষে বিভিন্নজনের সাথে রাজনৈতিক মতবিনিময় করছেন মিডিয়া ও বুম সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে, যারা পাটোয়ারীর নিজস্ব ও বিশ্বস্থ পিআর টিম হিসাবে পরিচিত। কেউ কেউ মনে করছেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের মতো ছাত্রদের উত্তেজিত করে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের
বিরুদ্ধে নতুন কোনো আন্দোলনের প্রস্তুতি চলছে কি না। জুলাই আন্দোলনের সময়কার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গ্রুপ এখন নামাজ, ইফতার ও ধর্মীয় কর্মসূচির আড়ালে ক্যাম্পাসগুলোতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের একাংশের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে পারে এবং পুনরায় অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। তারা দাবি করেন, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থান নেওয়া দরকার। এ বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বা এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না আসায় আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। বুয়েট কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
আড়ালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পুনরায় ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠিত করে নতুন কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন? বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে যান নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। নামাজ শেষে তার সঙ্গে কয়েকজনের রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যা বুয়েটের অরাজনৈতিক চরিত্র রক্ষার অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। গভীর রাত ১টার দিকে শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলন করে তারা বলেন, “বুয়েটে যেকোনো রাজনৈতিক দলের যেকোনো কর্মকাণ্ড আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। আবরার ফাহাদ ও সাবেকুন্নাহার সনির মতো শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসকে আমরা রক্ষা করব।” এদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, কয়েকজন শিক্ষার্থীর আমন্ত্রণে তিনি নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। নামাজের পর রাজনৈতিক বক্তব্য
না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং কোনো বক্তব্য না দিয়েই চলে যান। তবে তার সঙ্গে আসা কয়েকজনের স্লোগানের কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের জনসংযোগ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এই ধরনের মসজিদকেন্দ্রিক জনসংযোগের উদ্দেশ্য কী—তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এ সকল মসজিদ কোনটিই পাটোয়ারীর নির্বাচনী এলাকায় না, এবং প্রতিটা মসজিদেই তিনি দলবল সহ যাচ্ছেন ও নামাজ শেষে বিভিন্নজনের সাথে রাজনৈতিক মতবিনিময় করছেন মিডিয়া ও বুম সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে, যারা পাটোয়ারীর নিজস্ব ও বিশ্বস্থ পিআর টিম হিসাবে পরিচিত। কেউ কেউ মনে করছেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের মতো ছাত্রদের উত্তেজিত করে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের
বিরুদ্ধে নতুন কোনো আন্দোলনের প্রস্তুতি চলছে কি না। জুলাই আন্দোলনের সময়কার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গ্রুপ এখন নামাজ, ইফতার ও ধর্মীয় কর্মসূচির আড়ালে ক্যাম্পাসগুলোতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের একাংশের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে পারে এবং পুনরায় অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। তারা দাবি করেন, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থান নেওয়া দরকার। এ বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বা এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না আসায় আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। বুয়েট কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।



