ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিভিন্ন জেলায় বন্ধ থাকা বিমানবন্দর নিয়ে সুখবর
বিএনপি সন্ত্রাসীর হাজার কোটির চাঁদা ও দখল মিশন
নরসিংদীর রায়পুরায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রধান গ্রেপ্তার
রাজধানীর নিউ মার্কেটের বটতলায় গুলিতে যুবক নিহত
মাইকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে পিটুনি
কুড়িগ্রামে তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক বন্ধ
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
তেল না পেয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ বিক্ষুব্ধ জনতার
গোপালগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে তেল না পেয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে ফিলিং স্টেশনের এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে অর্ধশতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে, চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। তবে পুলিশ এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জানাগেছে, তেল সংকটের কারণে গোপালগঞ্জের পৌর এলাকার ৭টি ফিলিং স্টেশনে ভোর থেকেই তেল বিতরণ বন্ধ হয়ে যায়। ঘন্টার পর ঘন্টা তেলের জন্য অপেক্ষা করেন গাড়িচালকেরা। কিন্তু তেল না পেয়ে বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বেলা পৌনে তিনটার দিকে মান্দারতলা এলাকায় নিগি ফিলিং স্টেশনের সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে
যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি সরিয়ে এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে দেয়। এতে মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ এবং ফারদিন খান প্রিন্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তেল সরবরাহ কার্যক্রম তদারকি করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল থাকা সত্ত্বেও তাদের তেল দেওয়া হচ্ছে না। ভোর থেকে তেল নিতে অপেক্ষা করলেও ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়েও তারা তেল পাচ্ছেন না। এতে
ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও সাধারণ জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিগি ফিলিং স্টেশনের মালিক মফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গভীর রাত পর্যন্ত তেল দিতে গিয়ে পাম্পের কর্মচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এমনকি কিছু কর্মচারী চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। ফলে তেল বিতরণ কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম বলেন, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি সরিয়ে দিয়ে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি সরিয়ে এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে দেয়। এতে মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ এবং ফারদিন খান প্রিন্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তেল সরবরাহ কার্যক্রম তদারকি করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল থাকা সত্ত্বেও তাদের তেল দেওয়া হচ্ছে না। ভোর থেকে তেল নিতে অপেক্ষা করলেও ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়েও তারা তেল পাচ্ছেন না। এতে
ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও সাধারণ জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিগি ফিলিং স্টেশনের মালিক মফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গভীর রাত পর্যন্ত তেল দিতে গিয়ে পাম্পের কর্মচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এমনকি কিছু কর্মচারী চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। ফলে তেল বিতরণ কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম বলেন, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি সরিয়ে দিয়ে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।



