ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
‘হরমুজ’ উন্মুক্ত রাখতে ঐকমত্য জিনপিং-ট্রাম্প
চীন সফরে আসছেন পুতিন, শি জিনপিং যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে?
হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ যেতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান ১০ শর্তের যে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে, সেসবের মধ্যে একটি শর্ত এটি বলে জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা তাস।
পারস্য উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালির একদিকে ইরান, অপর দিকে ওমান। ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিন যে সরবরাহ আসে, তার এক পঞ্চমাংশ আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে
তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দেয়, যা এখনও চলছে। হরমুজ প্রণালি শুধু তেলেরই নয়, সার, পেট্রোকেমিক্যালসহ বিভিন্ন পণ্যের বাজারেরও গুরুত্বপূর্ণ রুট। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বাঁধার পর এসব পণ্যের বাজারেও অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। গত ৭ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বিরতির এই সময়সীমায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি শর্তের শান্তি প্রস্তাব এবং ইরানের ১০টি শর্তের শান্তিপ্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। তাস এর প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজিই হয়েছে দিনে অনধিক ১৫টি জাহাজের শর্ত দিয়ে। বলা হয়েছে, এই ১৫টি জাহাজের গতিবিধিও ইরানের কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রিত হবে। জাহাজ পরিবহন পর্যালোচনা করবে ইরানের সামরিক বাহিনীর
অভিজাত শাখা ইসলামিক ররেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। উপসাগরীয় অন্য দেশগুলিকেও এই শর্তের ব্যাপারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাস-কে এ ব্যাপারে বলেছেন, “হরমুজ দিয়ে যে কোনো বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল এখন থেকে কঠোরভাবে ইরানের অনুমোদন এবং একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকল কার্যকর করার ওপর নির্ভর করবে। আমাদের এই নতুন সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পক্ষগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। যুদ্ধ-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।” সূত্র : তাস, ইন্ডিয়া টুডে
তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দেয়, যা এখনও চলছে। হরমুজ প্রণালি শুধু তেলেরই নয়, সার, পেট্রোকেমিক্যালসহ বিভিন্ন পণ্যের বাজারেরও গুরুত্বপূর্ণ রুট। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বাঁধার পর এসব পণ্যের বাজারেও অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। গত ৭ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বিরতির এই সময়সীমায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি শর্তের শান্তি প্রস্তাব এবং ইরানের ১০টি শর্তের শান্তিপ্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। তাস এর প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজিই হয়েছে দিনে অনধিক ১৫টি জাহাজের শর্ত দিয়ে। বলা হয়েছে, এই ১৫টি জাহাজের গতিবিধিও ইরানের কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রিত হবে। জাহাজ পরিবহন পর্যালোচনা করবে ইরানের সামরিক বাহিনীর
অভিজাত শাখা ইসলামিক ররেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। উপসাগরীয় অন্য দেশগুলিকেও এই শর্তের ব্যাপারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাস-কে এ ব্যাপারে বলেছেন, “হরমুজ দিয়ে যে কোনো বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল এখন থেকে কঠোরভাবে ইরানের অনুমোদন এবং একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকল কার্যকর করার ওপর নির্ভর করবে। আমাদের এই নতুন সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পক্ষগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। যুদ্ধ-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।” সূত্র : তাস, ইন্ডিয়া টুডে



