ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফাইনালে ১২০ মিনিট খেলে একটি শটও অন টার্গেটে নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা
মেসি কাঁদলেন, কাঁদালেন শতকোটি ভক্তকে
টেস্ট-ওয়ানডেতে হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় বাংলাদেশের
সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ ফাইনাল, এক টিকিটের দাম কত জানেন?
বিশ্বকাপের পর বাতিল হতে পারে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’
ঢাকাজুড়ে ফুটবল জ্বর, বড় পর্দার খোঁজে সমর্থকেরা
ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
বিশ্বকাপ থেকে ফিফার রেকর্ড আয়ে ধামাচাপা পড়ছে বিতর্ক
চলতি বিশ্বকাপ থেকে ফিফা রেকর্ড ১৫ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আয়ের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে। এটি টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাড়িয়ে গেছে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো শনিবার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে এই আয় বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন। আসরের শুরুতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ১১ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, আয়ের বড় অংশ এসেছে হসপিটালিটি ও টিকিট বিক্রি, বিশেষ করে চড়া দামের সেকেন্ডারি মার্কেট (টিকিট পুনঃবিক্রয়ের বাজার) থেকে। সেকেন্ডারি মার্কেটে ফিফা ক্রেতার কাছে থেকে ১৫ শতাংশ এবং বিক্রেতার কাছে থেকে আরও ১৫ শতাংশ কেটে রাখে।
ধারণা করা হচ্ছে ফিফার এই বর্ধিত আয়ের সুফল পাবে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো। পাশাপাশি নানা বিতর্কে ঘেরা একটি আসর শেষ
করার পর এই আয়ের মাধ্যমে ইনফান্তিনো নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করার সুযোগ পাবেন। এদিকে বিতর্ক সত্ত্বেও আগামী মার্চ মাসে হতে যাওয়া পুনর্নির্বাচনের জন্য ইনফান্তিনো ফিফার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছে থেকে ২০০টিরও বেশি সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। রেকর্ড আয়ের পর বাড়তি তহবিল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কিছু অ্যাসোসিয়েশন হয়তো তাদের অসন্তোষ প্রকাশ্যে আনা থেকেও বিরত থাকবে। রাজস্বের এমন বিপুল জোয়ার নিকট ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাকেও বাড়িয়ে দিতে পারে। বিডের জন্য উন্মুক্ত থাকা পরবর্তী বিশ্বকাপটি হবে ২০৩৮ সালে। গত শুক্রবার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও যুক্তরাষ্ট্রে আবার বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদের (ফিফা) আবারও যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেওয়া উচিত।
সেবার আমরা এককভাবে আয়োজক হবো। কানাডা ও মেক্সিকো থাকবে না।’ জানা গেছে, ২০২৯ সালের ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফিফার আলোচনা চলছে।
করার পর এই আয়ের মাধ্যমে ইনফান্তিনো নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করার সুযোগ পাবেন। এদিকে বিতর্ক সত্ত্বেও আগামী মার্চ মাসে হতে যাওয়া পুনর্নির্বাচনের জন্য ইনফান্তিনো ফিফার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছে থেকে ২০০টিরও বেশি সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। রেকর্ড আয়ের পর বাড়তি তহবিল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কিছু অ্যাসোসিয়েশন হয়তো তাদের অসন্তোষ প্রকাশ্যে আনা থেকেও বিরত থাকবে। রাজস্বের এমন বিপুল জোয়ার নিকট ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাকেও বাড়িয়ে দিতে পারে। বিডের জন্য উন্মুক্ত থাকা পরবর্তী বিশ্বকাপটি হবে ২০৩৮ সালে। গত শুক্রবার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও যুক্তরাষ্ট্রে আবার বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদের (ফিফা) আবারও যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেওয়া উচিত।
সেবার আমরা এককভাবে আয়োজক হবো। কানাডা ও মেক্সিকো থাকবে না।’ জানা গেছে, ২০২৯ সালের ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফিফার আলোচনা চলছে।



