ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শরীয়তপুরে মিরপুর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির বাড়িতে হামলা, বৃদ্ধ বাবাসহ আহত একাধিক
সংস্কার নিয়ে আমি হতাশ: মাসদার হোসেন
উন্নয়ন নেই, ঋণের রেকর্ড: ১৭ মাসেই সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকার দায়
‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করেন’: মাহফুজ আলম
বাংলাদেশের ১৩ তম সংসদীয় নির্বাচন সম্পর্কে ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়লগের (ISD) বিবৃতি
ফ্যাসিস্ট ইউনূসের নির্বাচন নাটকঃ ভোটকেন্দ্রে ব্যালট ভর্তি বাক্স অরক্ষিত; উধাও প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট
জাল ভোট, বুথ দখলসহ নির্বাচনে যেসব অনিয়ম পেয়েছে টিআইবি
‘বিনা অপরাধে ১৬ মাস কারাগারে বন্দি আমার স্বামী’: মুক্তির দাবিতে ব্যারিস্টার সুমনের স্ত্রীর আবেগঘন বার্তা
সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তার স্ত্রী শাম্মী আক্তার। দীর্ঘ ১৬ মাস ধরে কারাগারে আটক থাকার কথা উল্লেখ করে আজ মঙ্গলবার তিনি এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধ ছাড়াই তার স্বামীকে দীর্ঘ সময় ধরে বন্দি রাখা হয়েছে এবং তার সন্তানদের বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
বার্তাটিতে শাম্মী আক্তার দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ব্যারিস্টার সুমনের শুভানুধ্যায়ীদের প্রতিবাদের আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে ব্যারিস্টার সুমনের স্ত্রী বলেন, ‘কোনো অপরাধ ছাড়া আজ ১৬ মাস যাবৎ কারাগারে বন্দি আমার স্বামী। আমার বাচ্চারা তাদের বাবার আদর-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। তারা কেন কষ্ট পাবে? তাদের
বাবা তো কোনো অপরাধ করেননি।’ স্বামীর জনহিতকর ও স্বেচ্ছাসেবী কাজের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যিনি দেশকে ভালোবাসেন, নিজের আরামের জীবন ছেড়ে কষ্টের জীবন বেছে নিয়েছেন—যার জন্য আমরা পরিবারও অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছি। উনি জনগণের জন্য কী করেছেন, তা আমার নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই; আপনারা সবাই জানেন।’ বিচার বিভাগের কাছে জামিন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘কেন উনাকে জামিন দেওয়া হবে না? তাই আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন—দেশ ও বিদেশে যারা ব্যারিস্টার সুমনকে ভালোবাসেন, সবাই প্রতিবাদের আওয়াজ তুলুন।’ বার্তার শেষে তিনি ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। উল্লেখ্য,দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসন থেকে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি তোপের মুখে পড়েন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। এর জেরে ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি, আমি বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী কাজ এবং আইনি সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই আইনজীবীর বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তার পরিবারের দাবি,
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে এবং জামিন দেওয়া হচ্ছে না।
বাবা তো কোনো অপরাধ করেননি।’ স্বামীর জনহিতকর ও স্বেচ্ছাসেবী কাজের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যিনি দেশকে ভালোবাসেন, নিজের আরামের জীবন ছেড়ে কষ্টের জীবন বেছে নিয়েছেন—যার জন্য আমরা পরিবারও অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছি। উনি জনগণের জন্য কী করেছেন, তা আমার নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই; আপনারা সবাই জানেন।’ বিচার বিভাগের কাছে জামিন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘কেন উনাকে জামিন দেওয়া হবে না? তাই আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন—দেশ ও বিদেশে যারা ব্যারিস্টার সুমনকে ভালোবাসেন, সবাই প্রতিবাদের আওয়াজ তুলুন।’ বার্তার শেষে তিনি ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। উল্লেখ্য,দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসন থেকে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি তোপের মুখে পড়েন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। এর জেরে ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি, আমি বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী কাজ এবং আইনি সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই আইনজীবীর বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তার পরিবারের দাবি,
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে এবং জামিন দেওয়া হচ্ছে না।



