বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ মার্চ, ২০২৬

আরও খবর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে বড় সুখবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানিদের হানা, রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বিদ্যার প্রাঙ্গণ

সেহরি থেকে তুলে নিয়ে মারধর, জঙ্গিদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাবি হলে ঢুকে ছাত্রীদের নির্যাতনসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বরখাস্ত: সাড়ে ১৬ বছর পর ডিসি কোহিনূরকে পুনর্বহাল

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়

৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী

৮দিন আগেই সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আকস্মিক বন্ধ ঘোষনা; জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়?

বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ মার্চ, ২০২৬ |
শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সরবরাহ করা পাঠ্যবই মুদ্রণকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রতি বছর সরকারের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠে এসেছে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে কেবল বই ছাপার কাজেই এই চক্র রাষ্ট্রের ৬৫৮ কোটি ৮৫ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৫ টাকা লুটে নিয়েছে, এমন তথ্য উঠে একটি সরকারি প্রতিবেদনে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রাথমিকের তিনটি শ্রেণির ৭০টি লটের দরপত্রে প্রাক্কলিত দরের থেকে গড়ে ১০ শতাংশ কমে দরপত্র দাখিল করে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো। তারপর কাজ শুরুর পর কৌশলে ধাপে ধাপে খরচ দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ লুটে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। পাহাড়সম অনিয়ম-দুর্নীতির পর এবার শিশুদের পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ পাচ্ছে বিদেশিরা ব্যর্থতা-দুর্নীতির খতিয়ান:

শিক্ষার্থীদের হাতে ২৯ ছাপাখানার নিম্নমানের পাঠ্যবই, ছিঁড়ে যাচ্ছে কাগজ অভিযোগ রয়েছে, কৌশলে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজ বাগিয়ে নেওয়া, কাগজের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানো এবং আর্টকার্ড আমদানিতে জালিয়াতির মতো নানা অনিয়মের মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুধু টেন্ডার সিন্ডিকেটই নয়, কাগজের বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং কোন প্রেস কোন কাজ পাবে—সেটিও এই চক্রের প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত শিক্ষাবর্ষের জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া

হয়। সেই সুযোগে দেশীয় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি অংশ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। ছাপাখানার সাথে গোপন আঁতাতে শিশুরা পেল ৮ কোটি নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক এনসিপির তানভীরের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের পদক্ষেপ: দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অভিযোগ রয়েছে, তারা টেন্ডারের প্রাক্কলিত মূল্য ফাঁস করে নিজেদের মধ্যে বইয়ের লট ভাগ করে নেয় এবং ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি দর দিয়ে সরকারের নির্ধারিত বাজেটের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৪০ কোটি ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ২০২টি বই মুদ্রণ করা হয়। এ কাজে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় ২ হাজার ৭৬২ কোটি ৮ লাখ ৯১ হাজার ১৪৪ টাকা। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এনসিটিবির বই

মুদ্রণের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কয়েকটি বড় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দেয়। এর মধ্যে কর্ণফুলী আর্ট প্রেস, লেটার এন কালার, এ্যাপেক্স প্রিন্টিং অ্যান্ড কালার, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং, অগ্রণী প্রিন্টিং প্রেস, আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেড, কচুয়া প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স, সীমান্ত প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন, প্রমা প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এবং ব্রাইট প্রিন্টিং প্রেসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র বলছে, এনসিটিবির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে টেন্ডারের প্রাক্কলিত মূল্য ফাঁস করে দেন। এরপর বড় প্রেসগুলোর মালিকেরা গোপন বৈঠকের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে লট ভাগ করে নেন এবং সমঝোতার ভিত্তিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে দরপত্র জমা দেন। জানা যায়, বড় প্রেসগুলোর মালিকদের মধ্যে প্রমা প্রেস

অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের মহসিন, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংয়ের দুলাল সরকার, আনন্দ প্রিন্টার্সের রাব্বানী জব্বার, অগ্রণী প্রিন্টিং প্রেসের রুবেল, কর্ণফুলী আর্ট প্রেসের রবিন ও কাজল গোপন বৈঠক করে পছন্দের লট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। আবারও পাঠ্যবই ছাপা হচ্ছে নিম্নমানের কাগজে! বাধার মুখে এনসিটিবির দায়িত্বশীলরা শিক্ষার্থীরা পায় না বই, বিক্রি হচ্ছে প্রকাশ্যে, অসাধু প্রিন্টারদের বকা দিয়ে দায় সারল এনসিটিবি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অসাধু চক্রটি পছন্দের লট ভাগাভাগির পাশাপাশি অতিরিক্ত কার্যাদেশও হাতিয়ে নিয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে তারা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে দরপত্র দাখিল করেন। সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংয়ের মালিক দুলাল সরকারের অফিসে এই দরপত্রের সমঝোতা হয় বলে উঠে এসেছে গোপন প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে বর্তমানে ১১৯টি

নিবন্ধিত পেপার মিল থাকলেও এনসিটিবির নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাগজ সরবরাহ করতে সক্ষম মিলের সংখ্যা খুবই সীমিত। যার মধ্যে এনসিটিবির মান অনুযায়ী সরবরাহের সামর্থ্য রয়েছে বসুন্ধরা, মেঘনা, আম্বার সুপার, পারটেক্সসহ হাতেগোনা কয়েকটির। অন্য মিলগুলোর এনসিটিবির স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাগজ সরবরাহ করার মেশিনারি সাপোর্ট, ক্যাপাসিটি ও ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট নেই। ফলে অনেক ক্ষেত্রে নিম্নমানের কাগজ সরবরাহ করা হয়। বই ছাপার কাজ পাওয়া কিছু প্রিন্টিং প্রেস বছরের শেষ দিকে এসে নোট ও গাইড বই ছাড়াও বিভিন্ন ছাপাকাজ করে থাকে। এতে সংকট দেখা দেয় কাগজের। একই সঙ্গে বই ছাপাকাজও পিছিয়ে যায়। কিছু ছাপাখানা পুস্তক প্রকাশনীর পাশাপাশি পেপার ট্রেডিংয়ের সঙ্গেও জড়িত থাকে। বিভিন্ন পেপার মিলের সঙ্গে তারা অগ্রিম চুক্তি করে

অধিকাংশ কাগজ কিনে ওয়্যারহাউসসহ বিভিন্ন গুদামে রেখে দিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেয়। পরে ছোট ছোট ছাপাখানাকে এসব কাগজ কিনতে বাধ্য করে। পাঠ্যপুস্তক কেলেঙ্কারি: ৩৫৫ কোটি টাকা লুটে নিল ১৭টি ছাপাখানা! নিষিদ্ধ প্রেসে ছাপানো হচ্ছে পাঠ্যবই: পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর ক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাগজ সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন মিন্টু মোল্লা, শেখ সিরাজ, দুলাল সরকার, ওমর ফারুক, মহসিন, রুবেল-রবিন, রাব্বানী জব্বার, দেওয়ান কবির প্রমুখ। প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের ক্ষেত্রে দেশের ছোটবড় প্রায় ২৩টি কাগজের মিল সরাসরি ও তাদের ডিলারদের মাধ্যমে প্রেসগুলোতে কাগজ সরবরাহ করেছে। মিলগুলোর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার টন। কিন্তু প্রতি বছর কাগজের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মিল মালিকরা কাগজের মূল্য বৃদ্ধি করে দেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট মানের কাগজের মূল্য নিয়ে নিম্নমানের কাগজ উৎপাদন ও সরবরাহ করেন। পাণ্ডুলিপি ফাঁস, পাঠ্যবইয়ের আগেই গাইড বই ছাপানোর হিড়িক! পাঠ্যবইয়ে অজ্ঞাত পরিচয় জুলাই শহীদের নাম, চেনে না কেউ কিছু অসাধু প্রিন্টিং প্রেস মালিক একা বা দলবদ্ধ হয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কাগজের মূল্য বৃদ্ধি করেন। মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতিবেদন বলছে, মল্লিক পেপার মিল, ক্যাপিটাল পেপার মিল ও আজাদ পেপার মিল পরিচালনা করে থাকেন সরকার প্রেসের মালিক ওমর ফারুক। রশিদ পেপার মিল পরিচালনা করেন অটো প্রিন্টিং প্রেস ও মোল্লা প্রিন্টিং প্রেসের মালিক মিন্টু মোল্লা। আর্টকার্ড আমদানির ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তথ্যমতে, পাঠ্যবইয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ২৩০ জিএসএম আর্টকার্ড সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর। নিয়ম মেনে আর্টকার্ড আমদানি করলে ভ্যাট ও ট্যাক্সের কারণে দাম বেশি পড়ে। কিন্তু সিন্ডিকেট অসদুপায় অবলম্বন করে এ আর্টকার্ড আমদানি করে গোপনে সংরক্ষণ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে দাম বাড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে পাঁচ-ছয় ব্যক্তি ও তিন-চারটি প্রতিষ্ঠান সরাসরি জড়িত। নতুন পাঠ্যবইয়ের কাণ্ড! মৃত্যুর ২২ বছর পর পুনঃজন্ম নিলেন প্রমথ চৌধুরী! নতুন পাঠ্যবইয়ে আবু সাঈদের মৃত্যুর তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি! সংস্থাটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মাস্টার সিমেক্স পেপার লিমিটেডের দেওয়ান কবির, ইউনিয়ন অ্যাসোসিয়েট, রহমত এন্টারপ্রাইজ, নয়াবাজারের ইউসুফ এন্টারপ্রাইজ, সরকার প্রেসের ওমর ফারুক, প্রেস মালিক তোফায়েল, দশ দিশা প্রিন্টার্সের আমিন হিলালী, রাফিন এন্টারপ্রাইজসহ অন্যরা এতে জড়িত। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। লেটার এন কালার লিমিটেডের নির্বাহী রাশেদ হোসাইন বলেন, পাঠ্যবই ছাপার টেন্ডার কার্যক্রম তিনি নিজেই সম্পন্ন করেন এবং এতে কোনো সিন্ডিকেট বা সমঝোতা নেই। সব কাজ নিয়ম মেনেই করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে প্রমা প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের স্বত্বাধিকারী মামুন হোসেন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রতিবেদনটিতে বই মুদ্রণে সিন্ডিকেট ভাঙতে কয়েকটি সুপারিশও করা হয়েছে। এর মধ্যে টেন্ডারের প্রাক্কলিত দর ফাঁস রোধে এনসিটিবিতে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া এবং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?