ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এসএসসি পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী
শিক্ষামন্ত্রীর পিএস সোহেলের দখলে শিক্ষা প্রশাসনের তিন গুরুত্বপূর্ণ পদ!
মাউশির মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ
শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা
প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই
দুর্ঘটনার কবলে ঢাবির বাস, আহত অন্তত ৮ শিক্ষার্থী
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালু করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সংগীত শিক্ষা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন দূতাবাস আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, গুচ্ছভিত্তিক (ক্লাস্টার) পদ্ধতিতে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ পদ্ধতিতে সংগীত প্রশিক্ষকেরা একটি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘুরে ঘুরে পাঠদান করবেন। তিনি আরও জানান, সরকার প্রতিটি জেলা ও উপজেলার স্কুলপর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সব প্রতিষ্ঠানে উপজেলাভিত্তিক ক্লাস্টার পদ্ধতিতে সংগীত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যেভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে
সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে একইভাবে সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ওই সময় সব প্রতিষ্ঠানে সংগীত শিক্ষক পাওয়া যেত না এবং তারা মূলত জেলাপর্যায়ের স্কুলগুলোতে কেন্দ্রীভূত ছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন, “অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচিত না হওয়ায় জনগণের কাছে তাদের সরাসরি দায়বদ্ধতা ছিল না। ওই সময়ে কিছু ভালো সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যা আমাদের মতে এড়িয়ে যাওয়া যেত। তবে আমি বলব না যে সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।” উল্লেখ্য, ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইসলামিক দলগুলোর চাপের মুখে স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছিল। বর্তমান সরকার এখন
সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সংগীত শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে একইভাবে সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ওই সময় সব প্রতিষ্ঠানে সংগীত শিক্ষক পাওয়া যেত না এবং তারা মূলত জেলাপর্যায়ের স্কুলগুলোতে কেন্দ্রীভূত ছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন, “অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচিত না হওয়ায় জনগণের কাছে তাদের সরাসরি দায়বদ্ধতা ছিল না। ওই সময়ে কিছু ভালো সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যা আমাদের মতে এড়িয়ে যাওয়া যেত। তবে আমি বলব না যে সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।” উল্লেখ্য, ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইসলামিক দলগুলোর চাপের মুখে স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছিল। বর্তমান সরকার এখন
সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সংগীত শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



