মালয়েশিয়ায় মানবপাচার চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, আটক ২৭ বাংলাদেশি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ এপ্রিল, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় মানবপাচার চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, আটক ২৭ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ এপ্রিল, ২০২৬ |
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের জড়িত একটি মানবপাচার চক্রের সন্ধান ও সদস্যদের গ্রেফতার করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ১২টা ৪০ মিনিটে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের (জেআইএম) এনফোর্সমেন্ট শাখা কুয়ালালামপুরের আমপাং এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে ‘গ্যাং আশরাফ’ নামে পরিচিত চক্রটিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় কর্তৃপক্ষ। ওই বাসাটি অবৈধ অভিবাসীদের লুকিয়ে রাখা ও ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতে প্রধান গেট ও দরজা ভাঙতে হয়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ২৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়, যাদের অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা তিনদিন আগে একটি প্রতিবেশী

দেশে প্রবেশ করেন এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে তাদের মালয়েশিয়ায় আনা হয়। একইসঙ্গে আরও তিনজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা এই সিন্ডিকেটের সদস্য এবং ট্রানজিট ঘরের তদারককারী হিসেবে কাজ করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে জানা গেছে, সিন্ডিকেটটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সক্রিয় রয়েছে। তারা তৃতীয় দেশের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় এনে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করায় এবং পরে ক্লাং ভ্যালিতে এনে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। প্রতি অভিবাসীর কাছ থেকে প্রায় ৮,০০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করা হতো। এ পর্যন্ত সিন্ডিকেটটি প্রায় ২৪ লাখ রিঙ্গিত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। আটক অভিবাসীদের বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। তাদের পুত্রজায়া

ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭ (অপটিজম) অনুযায়ী তদন্ত চলছে। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং অপটিজম আইনের আওতায় যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ