বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ |
দেশের বিদ্যুৎ খাত ঘিরে নীরবভাবে গভীর সংকট তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তির শর্ত উপেক্ষা, বিলে পূর্বনির্ধারিত জরিমানা (লিকুইডেটেড ড্যামেজ বা এলডি) কর্তন, চলমান সালিশি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও বিইআরসির নির্দেশনা অমান্য এবং দেশি-বিদেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে খাতের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংকট শুধু কয়েকটি কেন্দ্রের আর্থিক সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পড়ছে ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি আমদানি সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিবেশের ওপরও। প্রায় ৩০টি ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বিরুদ্ধে অতিরিক্ত উৎপাদন বন্ধকাল দেখিয়ে জরিমানা কর্তনের অভিযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) সালিশি আবেদন করেছে। এতে খাতের মধ্যে তীব্র অনিশ্চয়তা ও আস্থাহীনতা

তৈরি হয়েছে। *রমজান ও গ্রীষ্মকাল অস্থিরতার শঙ্কা* প্রতিবছর রমজান, গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫–৬ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বেড়ে যায়। বর্তমানে চাহিদা ১০–১১ হাজার মেগাওয়াট। বিপিডিবি জানিয়েছে, আগামী গ্রীষ্মে চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে, তবে উৎপাদন ধরা হয়েছে মাত্র ১৭ হাজার মেগাওয়াট। বেসরকারি কেন্দ্র মালিকরা সতর্ক করেছেন, বকেয়া বিল না পরিশোধ হলে উৎপাদন সীমিত হতে পারে। এর ফলে সেচ, শিল্প এবং সাধারণ জনগণের জীবনেও প্রভাব পড়বে। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ ও বৈষম্য ডেভিড হাসানাত, বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, “বেসরকারি খাতে প্রায় ৬০–৬৫টি কেন্দ্র রয়েছে, মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৯ হাজার মেগাওয়াট এবং বিনিয়োগ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল বিনিয়োগের পরও

বিদেশি ও দেশীয় কেন্দ্রের মধ্যে ভিন্ন নীতি খাতের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।” বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের ঘটনার উদাহরণ দেখায়, একই চুক্তির আওতায় এক প্রতিষ্ঠানের বিল ফেরত দেওয়া হলেও অন্যদের জরিমানা বহাল রাখা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আইনের সমতার নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে বড় আইনি জটিলতার জন্ম দিতে পারে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি সতর্ক করেছে, আর্থিক চাপ অব্যাহত থাকলে উৎপাদন সীমিত হবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, একটি বড় বিদেশি শিল্পগোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে। “দেশে বিনিয়োগ করে, জাতীয় প্রয়োজনে লোকসান গুনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার পর আমাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।” বিদ্যুৎ খাতের অস্থিরতা শুধুমাত্র শিল্প ও সেচ খাত নয়, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন

জীবনেও প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে নতুন বিতর্কে থালাপতি বিজয় শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও জ্বালানি তেলের সংকট: দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার দুই সপ্তাহ ব্যবধানে নজিরবিহীন দুই দফা দাম বৃদ্ধি: ১২ কেজির এলপিজি এখন ১৯৪০ শরীফুলের স্পেলই নাকি কিউইদের মিরপুর জয়ের পথ দেখিয়েছে! তথ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে স্ক্রল আকারে সংবাদ প্রকাশের সমালোচনায় সাংবাদিক সায়ের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের