ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
‘বিডিআর বিদ্রোহের তদন্ত করেছিলেন বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর, এখন সব উল্টে দিচ্ছেন’—ফাঁস হওয়া অডিওতে শেখ হাসিনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই অডিও বার্তায় তিনি ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড (বিডিআর বিদ্রোহ), বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিডিআর বিদ্রোহের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। অডিওতে তিনি দাবি করেন, বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ৪৬ জনই ছিলেন আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। এছাড়া, সে সময়ের তদন্ত কমিটির প্রধান এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ফাঁস হওয়া অডিওতে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা তার সরকার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সামাল দিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, “বিডিআরের ঘটনায় যে আর্মি অফিসাররা
মারা যান, সেখানে ডিজি শাকিল থেকে শুরু করে ৪৬ জনই ছিল আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। জাহাঙ্গীর কবির নানকের আপন ফুফাতো ভাই থেকে শুরু করে আব্দুল মালেক উকিলের নাতজামাই—সবাইকে হত্যা করা হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, নিহতদের অনেককে তিনি নিজে পিজিআর এবং এসএসএফ-এ নিয়োগ দিয়েছিলেন। বিডিআর বিদ্রোহের তদন্ত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে লক্ষ্য করে বলেন, “সেই হত্যার তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন আজকের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই মামলা ও সাজা হয়েছে। এখন তিনি তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান হয়ে সব উল্টে দিচ্ছেন।” তিনি প্রশ্ন রাখেন, তদন্ত যদি ভুল হয়ে থাকে, তবে তার
দায়ভার জাহাঙ্গীর আলমকেই নিতে হবে। এছাড়া বিডিআর বিদ্রোহের পুনঃতদন্তে যুক্ত সাবেক বিডিআর প্রধান ফজলুর রহমানেরও কঠোর সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। অতীতে সীমান্তে একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতীয় বিএসএফ সদস্য মারা যাওয়ার পর ভারত ক্ষিপ্ত হলে ফজলুর রহমানের ‘হাঁটু কাঁপা’ শুরু হয়েছিল। তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে কথা বলে তিনি ফজলুর রহমানের জীবন রক্ষা করেছিলেন বলে দাবি করেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে অভিযোগ অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়েও অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের দিন ভোর ৬টায় খালেদা জিয়া কেন বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন? কারণ তারেক জিয়া লন্ডন
থেকে ৪৫ বার ফোন করে তাকে সরে যেতে বলেছিলেন।” এই বিষয়টি কেন তদন্ত করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, হলি আর্টিজান হামলা ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে, অথচ জেলখানা পূর্ণ করা হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা কোনোদিন প্রতিশোধ নিতে যাইনি। কিন্তু আজ আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হচ্ছে।” ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি পোড়ানো প্রসঙ্গে তিনি ‘রোমান হাওলাদার’ নামে এক যুবদল নেতার নাম উল্লেখ করেন এবং বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জাতির পিতা দেশ স্বাধীন না করলে জিয়াউর
রহমান বা অন্যরা মেজর জেনারেল হতে পারতেন না। অথচ এখন তাদের সাথেই দোস্তি করা হচ্ছে যারা গণহত্যা চালিয়েছে।” উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একাধিক অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। তবে ছড়িয়ে পড়া এই অডিও ক্লিপটির সত্যতা বা দিনক্ষণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মারা যান, সেখানে ডিজি শাকিল থেকে শুরু করে ৪৬ জনই ছিল আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। জাহাঙ্গীর কবির নানকের আপন ফুফাতো ভাই থেকে শুরু করে আব্দুল মালেক উকিলের নাতজামাই—সবাইকে হত্যা করা হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, নিহতদের অনেককে তিনি নিজে পিজিআর এবং এসএসএফ-এ নিয়োগ দিয়েছিলেন। বিডিআর বিদ্রোহের তদন্ত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে লক্ষ্য করে বলেন, “সেই হত্যার তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন আজকের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই মামলা ও সাজা হয়েছে। এখন তিনি তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান হয়ে সব উল্টে দিচ্ছেন।” তিনি প্রশ্ন রাখেন, তদন্ত যদি ভুল হয়ে থাকে, তবে তার
দায়ভার জাহাঙ্গীর আলমকেই নিতে হবে। এছাড়া বিডিআর বিদ্রোহের পুনঃতদন্তে যুক্ত সাবেক বিডিআর প্রধান ফজলুর রহমানেরও কঠোর সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। অতীতে সীমান্তে একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতীয় বিএসএফ সদস্য মারা যাওয়ার পর ভারত ক্ষিপ্ত হলে ফজলুর রহমানের ‘হাঁটু কাঁপা’ শুরু হয়েছিল। তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে কথা বলে তিনি ফজলুর রহমানের জীবন রক্ষা করেছিলেন বলে দাবি করেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে অভিযোগ অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়েও অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের দিন ভোর ৬টায় খালেদা জিয়া কেন বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন? কারণ তারেক জিয়া লন্ডন
থেকে ৪৫ বার ফোন করে তাকে সরে যেতে বলেছিলেন।” এই বিষয়টি কেন তদন্ত করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, হলি আর্টিজান হামলা ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে, অথচ জেলখানা পূর্ণ করা হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা কোনোদিন প্রতিশোধ নিতে যাইনি। কিন্তু আজ আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হচ্ছে।” ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি পোড়ানো প্রসঙ্গে তিনি ‘রোমান হাওলাদার’ নামে এক যুবদল নেতার নাম উল্লেখ করেন এবং বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জাতির পিতা দেশ স্বাধীন না করলে জিয়াউর
রহমান বা অন্যরা মেজর জেনারেল হতে পারতেন না। অথচ এখন তাদের সাথেই দোস্তি করা হচ্ছে যারা গণহত্যা চালিয়েছে।” উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একাধিক অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। তবে ছড়িয়ে পড়া এই অডিও ক্লিপটির সত্যতা বা দিনক্ষণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



