ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই
ভাগ না পেয়ে কাজ বন্ধ করলেন এমপি চাঁদ!
সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা
বিদেশিদের অপরাধের জাল
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
ভার্জিনিয়া ভিত্তিক ‘অল্টারনেটিভ পাথস ট্রেনিং স্কুল’ (এপিটিএস)-এর পাঁচজন অটিজম বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আতিথেয়তায় ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত এক সপ্তাহব্যাপী ঢাকা ও বিভিন্ন সেনানিবাস সফর করেছেন। তবে কক্সবাজারের রামুতে অবস্থিত সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের স্পর্শকাতর সদরদপ্তরে তাদের সফর ঘিরে নানা প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর হাতে আসা নথিপত্র অনুযায়ী, গত ১০ জানুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাই এয়ারওয়েজ এবং এমিরেটসের দুটি পৃথক ফ্লাইটে ওই পাঁচ বিদেশি নাগরিক ঢাকায় পৌঁছান। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদরদপ্তর থেকে দুজন কর্মকর্তাকে তাদের অভ্যর্থনা জানানোর জন্য পাঠানো হয় এবং বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ডেস্কে তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হয়। ঢাকায় অবস্থানকালে তারা কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে
সেনাবাহিনীর অতিথি হিসেবে ছিলেন। সফরকারী দলে চারজন মার্কিন ও একজন কানাডীয় নাগরিক ছিলেন। তারা হলেন—এপিটিএস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও অ্যালান এল ট্যাগি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিচালক রেন ফিটজচার্লস প্যাট্রিক গ্রিফিথ, উপ-পরিচালক জশুয়া অ্যারন ব্রাউন, লুই ক্রেগ হার্টম্যান এবং কানাডীয় নাগরিক লামা সাইফ আলদি আইয়ুব। অটিস্টিক শিশুদের বিশেষ চাহিদা পূরণে সহায়তার কথা বলে এই দলটি বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করে। তবে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে রামুতে তাদের ১০ম পদাতিক ডিভিশন সদরদপ্তর পরিদর্শন। কক্সবাজারের এই সেনা স্টেশনটি মিয়ানমার সীমান্তের সন্নিকটে হওয়ায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা যোদ্ধাদের সংঘাত চলছে, তখন এমন একটি সংবেদনশীল এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের
সফর এবং কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে তাদের আতিথেয়তা পাওয়াকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে অভিহিত করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। রামুতে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া না গেলেও জানা গেছে, এই একই প্রতিনিধি দলটি ২০২৫ সালের মে মাসেও ঢাকা সফর করেছিল এবং তখনও তারা একইভাবে বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করেছিল। উল্লেখ্য, ভার্জিনিয়ার ডামফ্রিসে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এপিটিএস মূলত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সামাজিক, মানসিক এবং আচরণগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। তবে সামরিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের এই ধারাবাহিক সফর নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।
সেনাবাহিনীর অতিথি হিসেবে ছিলেন। সফরকারী দলে চারজন মার্কিন ও একজন কানাডীয় নাগরিক ছিলেন। তারা হলেন—এপিটিএস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও অ্যালান এল ট্যাগি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিচালক রেন ফিটজচার্লস প্যাট্রিক গ্রিফিথ, উপ-পরিচালক জশুয়া অ্যারন ব্রাউন, লুই ক্রেগ হার্টম্যান এবং কানাডীয় নাগরিক লামা সাইফ আলদি আইয়ুব। অটিস্টিক শিশুদের বিশেষ চাহিদা পূরণে সহায়তার কথা বলে এই দলটি বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করে। তবে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে রামুতে তাদের ১০ম পদাতিক ডিভিশন সদরদপ্তর পরিদর্শন। কক্সবাজারের এই সেনা স্টেশনটি মিয়ানমার সীমান্তের সন্নিকটে হওয়ায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা যোদ্ধাদের সংঘাত চলছে, তখন এমন একটি সংবেদনশীল এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের
সফর এবং কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে তাদের আতিথেয়তা পাওয়াকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে অভিহিত করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। রামুতে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া না গেলেও জানা গেছে, এই একই প্রতিনিধি দলটি ২০২৫ সালের মে মাসেও ঢাকা সফর করেছিল এবং তখনও তারা একইভাবে বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করেছিল। উল্লেখ্য, ভার্জিনিয়ার ডামফ্রিসে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এপিটিএস মূলত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সামাজিক, মানসিক এবং আচরণগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। তবে সামরিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের এই ধারাবাহিক সফর নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।



