ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৪৭৫
পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের ডিম্বাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ শিশুর মৃত্যু
পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের ডিম্বাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ শিশুর মৃত্যু
উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা
বাংলাদেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ৫৬ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে, শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গভীর উদ্বেগ
বাংলাদেশে হাম (মিজলস) রোগের সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে অন্তত ৫৬টি জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এই পরিস্থিতিতে সংস্থাটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ডব্লিউএইচও’র ঢাকা কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ২ হাজার ১৯০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৬৭৬ জনের শরীরে হাম ভাইরাস নিশ্চিত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ৬৯ শতাংশ দুই বছরের নিচে এবং ৩৪ শতাংশ নয় মাসের নিচে। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক, কারণ সাধারণত নয় মাস বয়স থেকে হামের টিকা দেওয়া হয়।
হামে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩৮ থেকে ৫০ জনের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। কোনো কোনো প্রতিবেদনে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ ছাড়িয়েছে। হাসপাতালগুলোতে শিশু রোগীদের ভিড় উপচে পড়ছে, বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, নাটোর ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে। অনেক হাসপাতালে আইসিইউ বেডের অভাবে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কেন এই ভয়াবহতা? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দুই বছরে শিশুদের নিয়মিত টিকাদানে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে হাম-সম্পর্কিত টিকার কভারেজ নেমে এসেছে ৫৭-৫৯ শতাংশে—যা গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২৪ সালের পর আর কোনো বড় টিকাদান অভিযান চালানো হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ভ্যাকসিন সংগ্রহে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে, যা এই বিস্তারের মূল কারণ।হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ।
একজন আক্রান্ত ব্যক্তি ১৮ জন পর্যন্ত সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারেন। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, শহুরে স্লাম ও রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে সংক্রমণ শুরু হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের পদক্ষেপস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় টিকাদান অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। ৫ এপ্রিল থেকে এই অভিযান চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শিশুদের টিকাদানের বয়স ছয় মাসে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরিতে শুরু করায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ডব্লিউএইচও’র পাশাপাশি ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। তবে হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো, দ্রুত টিকাদান এবং সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এই সংকট নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের হামের লক্ষণ (জ্বর,
কাশি, চোখ লাল হওয়া, শরীরে লাল দানা) দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা জরুরি। বাংলাদেশ একসময় হাম নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছিল। কিন্তু টিকাদানে অবহেলা ও বিলম্বের কারণে সেই অর্জন এখন হুমকির মুখে। দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। কোনো কোনো প্রতিবেদনে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ ছাড়িয়েছে। হাসপাতালগুলোতে শিশু রোগীদের ভিড় উপচে পড়ছে, বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, নাটোর ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে। অনেক হাসপাতালে আইসিইউ বেডের অভাবে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কেন এই ভয়াবহতা? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দুই বছরে শিশুদের নিয়মিত টিকাদানে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে হাম-সম্পর্কিত টিকার কভারেজ নেমে এসেছে ৫৭-৫৯ শতাংশে—যা গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২৪ সালের পর আর কোনো বড় টিকাদান অভিযান চালানো হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ভ্যাকসিন সংগ্রহে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে, যা এই বিস্তারের মূল কারণ।হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ।
একজন আক্রান্ত ব্যক্তি ১৮ জন পর্যন্ত সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারেন। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, শহুরে স্লাম ও রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে সংক্রমণ শুরু হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের পদক্ষেপস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় টিকাদান অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। ৫ এপ্রিল থেকে এই অভিযান চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শিশুদের টিকাদানের বয়স ছয় মাসে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরিতে শুরু করায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ডব্লিউএইচও’র পাশাপাশি ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। তবে হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো, দ্রুত টিকাদান এবং সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এই সংকট নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের হামের লক্ষণ (জ্বর,
কাশি, চোখ লাল হওয়া, শরীরে লাল দানা) দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা জরুরি। বাংলাদেশ একসময় হাম নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছিল। কিন্তু টিকাদানে অবহেলা ও বিলম্বের কারণে সেই অর্জন এখন হুমকির মুখে। দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।



