ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে ভাষণ দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের নয়া দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অবৈধ, সহিংস’ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অভিযুক্ত করেন। বক্তব্যে তিনি ড. ইউনূসকে ‘দখলদার’, ‘অর্থ পাচারকারী’ এবং ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বারবার উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।”
তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশ বর্তমানে “একটি বিশাল কারাগার, একটি বধ্যভূমি এবং মৃত্যু উপত্যকায়” পরিণত হয়েছে। মানবাধিকার পদদলিত হচ্ছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়েছে এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের
ওপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন। গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে একটি “সতর্কভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসনে গিয়েছে। তার মতে, বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলার কোনো অস্তিত্ব নেই এবং মব ভায়োলেন্স, লুটতরাজ ও চাঁদাবাজিতে রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত জিম্মি হয়ে পড়েছে। এর পেছনে তিনি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও বিদেশি স্বার্থকে দায়ী করেন। শেখ হাসিনা দাবি করেন, ড. ইউনূস জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত স্বার্থ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জাতিকে প্রতারিত করে খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।” বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা
ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: ১. মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘অবৈধ ইউনূস প্রশাসন’কে অপসারণ করা। ২. দৈনন্দিন সহিংসতা বন্ধ করে জননিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা। ৩. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করা। ৪. সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বন্ধ এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা। ৫. গত এক বছরের ঘটনাবলী তদন্তে জাতিসংঘকে একটি “নতুন ও নিরপেক্ষ তদন্ত” পরিচালনার করতে হবে। সবশেষে তিনি আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একমাত্র বৈধ অভিভাবক’ হিসেবে দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে সংবিধান পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। ভাষণের এক
পর্যায়ে ইউনূসকে যে কোনো আসনে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার চ্যালেঞ্জও জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
ওপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন। গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে একটি “সতর্কভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসনে গিয়েছে। তার মতে, বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলার কোনো অস্তিত্ব নেই এবং মব ভায়োলেন্স, লুটতরাজ ও চাঁদাবাজিতে রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত জিম্মি হয়ে পড়েছে। এর পেছনে তিনি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও বিদেশি স্বার্থকে দায়ী করেন। শেখ হাসিনা দাবি করেন, ড. ইউনূস জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত স্বার্থ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জাতিকে প্রতারিত করে খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।” বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা
ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: ১. মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘অবৈধ ইউনূস প্রশাসন’কে অপসারণ করা। ২. দৈনন্দিন সহিংসতা বন্ধ করে জননিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা। ৩. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করা। ৪. সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বন্ধ এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা। ৫. গত এক বছরের ঘটনাবলী তদন্তে জাতিসংঘকে একটি “নতুন ও নিরপেক্ষ তদন্ত” পরিচালনার করতে হবে। সবশেষে তিনি আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একমাত্র বৈধ অভিভাবক’ হিসেবে দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে সংবিধান পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। ভাষণের এক
পর্যায়ে ইউনূসকে যে কোনো আসনে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার চ্যালেঞ্জও জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।



