ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন
শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের গোপন ভূমিকা: নর্থ ইস্ট নিউজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের “কালো আইন” এর প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
ডিজেলের পর এবার ভারত থেকে এলো ১১৬ টন গম, আসবে আরও অনেক পণ্য
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে এলো প্রায় ১ কোটি লিটার ডিজেল
‘শিরীন শারমিনের জামিন’ খবরটি নিয়ে যা জানা গেল
সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর অনুসারে, তিনি আইসিটি খাত থেকে সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকারও বেশি অর্থ লোপাট করে নেদারল্যান্ডসে পালিয়ে গেছেন। নেদারল্যান্ডসের নাগরিক ফয়েজ তৈয়বকে জুলাই বিপ্লবের পর দেশে এনে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ডিজিটাল খাতের নতুন ‘মহাজন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
সূত্রমতে, ফয়েজ তৈয়ব শুধুমাত্র নগদ অর্থ থেকেই শত কোটি টাকা লুট করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, শেষ সময়ে বিভিন্ন প্রকল্প দ্রুত পাশ করিয়ে এবং মোবাইল সেট রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (NEIR-এর মতো) এর আড়ালে একটি
বড় স্ক্যামের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরি করা হয়েছে। এই সিস্টেমের নামে অবৈধ হ্যান্ডসেট, ক্লোনড IMEI এবং ফ্রডের সুযোগ নিয়ে রাজস্ব ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, যা থেকে শত কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফয়েজ তৈয়বের এই কার্যকলাপের ফলে আইসিটি খাতে যে বিশাল দুর্নীতি হয়েছে, তা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, তিনি এই অর্থ লুটের পর দেশ ছেড়ে নেদারল্যান্ডসে পালিয়ে গেছেন, যা অন্তর্বর্তী সরকারের বিশ্বাসঘাতকতার একটি চরম উদাহরণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে, তবে ফয়েজ তৈয়বের পলায়নের পর দুর্নীতির এই বিশাল অংক উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে গেছে। জনগণের মধ্যে এ
নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো এবং কেন তার দুর্নীতির বিষয়টি আগে ধরা পড়েনি। এ ঘটনা আইসিটি খাত শুধু নয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রকল্প পাশ আর বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে।
বড় স্ক্যামের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরি করা হয়েছে। এই সিস্টেমের নামে অবৈধ হ্যান্ডসেট, ক্লোনড IMEI এবং ফ্রডের সুযোগ নিয়ে রাজস্ব ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, যা থেকে শত কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফয়েজ তৈয়বের এই কার্যকলাপের ফলে আইসিটি খাতে যে বিশাল দুর্নীতি হয়েছে, তা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, তিনি এই অর্থ লুটের পর দেশ ছেড়ে নেদারল্যান্ডসে পালিয়ে গেছেন, যা অন্তর্বর্তী সরকারের বিশ্বাসঘাতকতার একটি চরম উদাহরণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে, তবে ফয়েজ তৈয়বের পলায়নের পর দুর্নীতির এই বিশাল অংক উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে গেছে। জনগণের মধ্যে এ
নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো এবং কেন তার দুর্নীতির বিষয়টি আগে ধরা পড়েনি। এ ঘটনা আইসিটি খাত শুধু নয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রকল্প পাশ আর বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে।



