ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু,নির্যাতনের অভিযোগ স্বজনদের
মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা থেকে জামায়াত-মুসলিম লীগ-নেজামে ইসলামের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে হঠাৎই জ্বলে উঠলেন আনু মুহাম্মদ
জুলাই নিয়ে মন্তব্য করায় আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৩০০ দরিদ্রের উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ ৮ কোটি, দেশি-বিদেশি ৪৭৩ পরামর্শকের ব্যয় ৫৩ কোটি!
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে সাউন্ড সিস্টেম (এসআইএস সিস্টেম) স্থাপনে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই সিস্টেমে গলদ শুরু হয়েছে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ২০১৮ সাল থেকে। এই সাউন্ড সিস্টেম উন্নয়নের কাজ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও।
অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাস। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, বিগত কমিশন এই অভিযোগটি অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছেন।
দুদক জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গণপূর্ত বিভাগের জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম) মো. আস্রাফুল হকের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদার
কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদার এসআইএস সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করেছিলেন। এরই মধ্যে সংসদ অধিবেশন চলাকালে একাধিকবার সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট ঘটে। এরপরই দুদক অভিযোগটির অনুসন্ধান সামনে এনেছে। পরে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সরকারের পতনের দিনে বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশ করে। ওই সময় সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক সেই ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামত করেন। এবার তিনি এই কাজে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করিয়েছিলেন। এর মধ্যে খরচ করা হয়েছে ৫ কোটি টাকা। সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে সংসদ ভবন কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন
করছেন। সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারকে ওই সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে একই ঠিকাদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামতের কাজ করানো হয়। গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আস্রাফুল হক, সংশ্লিস্ট অন্য প্রকৌশলী এবং ওই ঠিকাদার পরস্পর যোগসাজশে অনিয়ম, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন, মেরামত, সংস্কারের কাজ করে সরকারের বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। দুদক বলেছে, সংসদ ভবনের গণপূর্ত অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে দুদক একাধিকবার চিঠি দিয়ে অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নানা তথ্য, নথি চাইলে আজ বৃহস্পতিবার
পর্যন্ত তারা কোনো তথ্য, নথি সরবরাহ করেননি।
কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদার এসআইএস সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করেছিলেন। এরই মধ্যে সংসদ অধিবেশন চলাকালে একাধিকবার সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট ঘটে। এরপরই দুদক অভিযোগটির অনুসন্ধান সামনে এনেছে। পরে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সরকারের পতনের দিনে বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশ করে। ওই সময় সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক সেই ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামত করেন। এবার তিনি এই কাজে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করিয়েছিলেন। এর মধ্যে খরচ করা হয়েছে ৫ কোটি টাকা। সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে সংসদ ভবন কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন
করছেন। সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারকে ওই সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে একই ঠিকাদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামতের কাজ করানো হয়। গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আস্রাফুল হক, সংশ্লিস্ট অন্য প্রকৌশলী এবং ওই ঠিকাদার পরস্পর যোগসাজশে অনিয়ম, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন, মেরামত, সংস্কারের কাজ করে সরকারের বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। দুদক বলেছে, সংসদ ভবনের গণপূর্ত অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে দুদক একাধিকবার চিঠি দিয়ে অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নানা তথ্য, নথি চাইলে আজ বৃহস্পতিবার
পর্যন্ত তারা কোনো তথ্য, নথি সরবরাহ করেননি।



