ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
প্রতিবেশীর জমি দখলের অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বিরুদ্ধে
যশোরে প্রতিবেশীর জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলেও অপকর্ম থেমে নেই এ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার- বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
রোববার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে ওই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার নানা অপকর্ম তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন তার প্রতিবেশী একেএম মোরশেদ।
অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার নাম মফিজুর রহমান ডাবলু। তিনি যশোর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে একেএম মোরশেদ বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মফিজুর রহমান ডাবলু পৌরসভার জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। আওয়ামী লীগের শাসনামলে সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হন তিনি। এরপর
থেকে তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেন। এ বাহিনী দিয়ে ভূমিদস্যুতা শুরু করেন। এরপর তার নজর পরে শহরের ওয়াফদা গ্যারেজ মোড়ে আমার জমি ওপর। আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যকে অস্ত্রের ভয়-ভীতি দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করে। পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে শহরের জমি ও ঘর ফেলে রেখে স্ত্রী, সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে নিয়ে উপজেলার হামিদপুর গ্রামে বসবাস করছি। তিনি আরও বলেন, আমার বাড়ির প্রাচীর ভেঙে জায়গা দখল করে নেন তিনি। এ ঘটনায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেন আদালত। এরপরও দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে সে জায়গায় এখন তিনি (মফিজুর রহমান ডাবলু) ইট-বালুর কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে দখল করে নিয়েছেন। এরপরও ক্ষান্ত হননি তিনি। তিনি পৌরসভার
জায়গা দখল করে অবৈধভাবে পৌরসভার অনুমোদনহীন মার্কেট নির্মাণ করেন। এদিকে যশোর পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার জায়গা দখল করে মফিজুর রহমান ডাবলু নয়টি দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। অবৈধ সেসব স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার নোটিশ প্রদান করা হয়। কার্যত ২৪ ঘণ্টার নোটিশ এক মাস অতিবাহিত হলেও তিনি সেটি অমান্য করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। পৌরসভার জায়গা দখল করে গড়ে তোলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতাপশালী এ নেতার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে মোট চারবার নোটিশ প্রদান করে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মফিজুর রহমান ডাবলু নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে কলাম নির্মাণ ও পুরোনো ভবনের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং রাস্তার দিকে আরও বর্ধিত করে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন
করে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যশোর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রফিকুল হাসান প্রশাসকের দায়িত্ব লাভের পর গেল ১ সেপ্টেম্বর তিনি মফিজুন রহমান ডাবলু অবৈধ স্থাপনা বিষয় নিয়ে পুনরায় নোটিশ প্রদান করেন। তবে নোটিশ প্রাপ্তির এক মাস অতিবাহিত হলেও মফিজুর রহমান ডাবলু তার অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করেননি। বরং মফিজুর রহমান ডাবলু নোটিশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠান। যশোর পৌরসভার প্রকৌশলী শরীফ হাসান বলেন, মফিজুর রহমান ডাবলু নোটিশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠান। আমরা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দিয়েছি। এখন আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মফিজুর রহমান ডাবলু বলেন, আমি কোনো ভূমিদস্যু নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ
করা হয়েছে। আমি কারোর জমি দখল করিনি। একেএম মোরশেদ আমার প্রতিবেশী। তার জমির মধ্যে আমার জমি ছিল। আমার জমি আমি দখল করেছি। তিনি আরও বলেন, কাগজপত্রে পৌরসভার কোনো জমি নেই। আমি আমার নিজ জমিতে মার্কেট নির্মাণ করেছি।
থেকে তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেন। এ বাহিনী দিয়ে ভূমিদস্যুতা শুরু করেন। এরপর তার নজর পরে শহরের ওয়াফদা গ্যারেজ মোড়ে আমার জমি ওপর। আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যকে অস্ত্রের ভয়-ভীতি দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করে। পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে শহরের জমি ও ঘর ফেলে রেখে স্ত্রী, সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে নিয়ে উপজেলার হামিদপুর গ্রামে বসবাস করছি। তিনি আরও বলেন, আমার বাড়ির প্রাচীর ভেঙে জায়গা দখল করে নেন তিনি। এ ঘটনায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেন আদালত। এরপরও দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে সে জায়গায় এখন তিনি (মফিজুর রহমান ডাবলু) ইট-বালুর কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে দখল করে নিয়েছেন। এরপরও ক্ষান্ত হননি তিনি। তিনি পৌরসভার
জায়গা দখল করে অবৈধভাবে পৌরসভার অনুমোদনহীন মার্কেট নির্মাণ করেন। এদিকে যশোর পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার জায়গা দখল করে মফিজুর রহমান ডাবলু নয়টি দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। অবৈধ সেসব স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার নোটিশ প্রদান করা হয়। কার্যত ২৪ ঘণ্টার নোটিশ এক মাস অতিবাহিত হলেও তিনি সেটি অমান্য করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। পৌরসভার জায়গা দখল করে গড়ে তোলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতাপশালী এ নেতার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে মোট চারবার নোটিশ প্রদান করে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মফিজুর রহমান ডাবলু নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে কলাম নির্মাণ ও পুরোনো ভবনের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং রাস্তার দিকে আরও বর্ধিত করে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন
করে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যশোর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রফিকুল হাসান প্রশাসকের দায়িত্ব লাভের পর গেল ১ সেপ্টেম্বর তিনি মফিজুন রহমান ডাবলু অবৈধ স্থাপনা বিষয় নিয়ে পুনরায় নোটিশ প্রদান করেন। তবে নোটিশ প্রাপ্তির এক মাস অতিবাহিত হলেও মফিজুর রহমান ডাবলু তার অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করেননি। বরং মফিজুর রহমান ডাবলু নোটিশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠান। যশোর পৌরসভার প্রকৌশলী শরীফ হাসান বলেন, মফিজুর রহমান ডাবলু নোটিশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠান। আমরা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দিয়েছি। এখন আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মফিজুর রহমান ডাবলু বলেন, আমি কোনো ভূমিদস্যু নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ
করা হয়েছে। আমি কারোর জমি দখল করিনি। একেএম মোরশেদ আমার প্রতিবেশী। তার জমির মধ্যে আমার জমি ছিল। আমার জমি আমি দখল করেছি। তিনি আরও বলেন, কাগজপত্রে পৌরসভার কোনো জমি নেই। আমি আমার নিজ জমিতে মার্কেট নির্মাণ করেছি।



