ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ছাত্রলীগের বিশাল মিছিল
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দীর্ঘদিনের রাজপথের নীরবতা ভেঙে রাজপথে নেমেছে ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, মিথ্যা মামলা ও হত্যার প্রতিবাদে এবং সংগঠনের ওপর আরোপিত অসাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এই বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জুমার নামাজ শেষে উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বাণিগ্রাম বাজার এলাকায় ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী জাতীয় ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে রাজপথে আছড়ে পড়েন।
দুপুর দেড়টার দিকে শুরু হওয়া এই মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বাণিগ্রামের আকাশ-বাতাস। দীর্ঘ ২০ মাস ধরে চলমান রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও দমননীতির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের এই ঝটিকা মিছিল স্থানীয় সাধারণ ছাত্র-জনতার
মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কারাবন্দি সকল দেশপ্রেমিক নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত জমায়েতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা বলেন, ছাত্রলীগ কোনো নিষিদ্ধ করার মতো সংগঠন নয়; এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ। ছাত্র সমাজকে দমিয়ে রাখতে যে অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, এদেশের তরুণ প্রজন্ম তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাজপথে আমাদের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে, বন্দুকের নল বা অসাংবিধানিক আইন দিয়ে ছাত্রলীগের পথচলা থামানো সম্ভব নয়। মিছিলকারীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে মাঠছাড়া করতে চায়। কিন্তু বাঁশখালীর মাটি ও মানুষের
সাথে ছাত্রলীগের যে নাড়ির টান, তা কোনো চক্রান্তেই বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। অতিদ্রুত দেশের ৫২ শতাংশ মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার এই সংগঠনের ওপর থেকে তথাকথিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। এদিকে, মিছিলের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়লেও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা সফলভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন করে এলাকা ত্যাগ করেন। স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, আগামীতে রাজপথে আরও শক্তিশালী আন্দোলনের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক সকল সিদ্ধান্তের জবাব দেওয়া হবে।
মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কারাবন্দি সকল দেশপ্রেমিক নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত জমায়েতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা বলেন, ছাত্রলীগ কোনো নিষিদ্ধ করার মতো সংগঠন নয়; এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ। ছাত্র সমাজকে দমিয়ে রাখতে যে অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, এদেশের তরুণ প্রজন্ম তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাজপথে আমাদের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে, বন্দুকের নল বা অসাংবিধানিক আইন দিয়ে ছাত্রলীগের পথচলা থামানো সম্ভব নয়। মিছিলকারীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে মাঠছাড়া করতে চায়। কিন্তু বাঁশখালীর মাটি ও মানুষের
সাথে ছাত্রলীগের যে নাড়ির টান, তা কোনো চক্রান্তেই বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। অতিদ্রুত দেশের ৫২ শতাংশ মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার এই সংগঠনের ওপর থেকে তথাকথিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। এদিকে, মিছিলের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়লেও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা সফলভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন করে এলাকা ত্যাগ করেন। স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, আগামীতে রাজপথে আরও শক্তিশালী আন্দোলনের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক সকল সিদ্ধান্তের জবাব দেওয়া হবে।



