পাকিস্তান ও ইউনুস সরকারের গোপন ঘনিষ্ঠতা,বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ১১:২৪ অপরাহ্ণ

পাকিস্তান ও ইউনুস সরকারের গোপন ঘনিষ্ঠতা,বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ১১:২৪ 46 ভিউ
অদ্য ৪ ডিসেম্বর সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মোঃ খোদা বখস চৌধুরীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালে এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও গোপন স্বার্থসাধনের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোতে প্রভাব ফেলতে ব্যবহৃত হয়। অফিস সূত্র জানায়, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আদালত, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করছে। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এবং জেলখানায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যা-পরামর্শের মতো অমানবিক কর্মকাণ্ডেও তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। বাংলাদেশের শত্রুরাষ্ট্র পাকিস্তান দীর্ঘকাল ধরে পরাজিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে, বিশেষ করে

দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার অর্জনের বিরুদ্ধে। স্বাধীনতা ও জাতির গৌরবের ওপর তাদের অবিশ্বাস ও বিরূপ মনোভাব দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য ক্রমাগত হুমকি তৈরি করছে। এ সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিবেশী ভারতকে অস্থিতিশীল করতে পাকিস্তান বর্তমান অবৈধ ও অসাংবিধানিক ইউনুস সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলেছে এবং দেশের ভেতরে জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এ ধরনের সহযোগিতা দেশের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য অগ্নিসংযোগের সমতুল্য। তদুপরি, পাকিস্তান থেকে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে। বিশেষত জামাত ও বিএনপি সংগঠনগুলো এই কার্যক্রমে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব প্রমাণ করে যে, কূটনৈতিক সাক্ষাতার আড়ালে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তা

কাঠামোর ওপর বৈদেশিক প্রভাব বিস্তার কার্যকর হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করা ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধে তৎপর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। দেশের নাগরিক, সরকার এবং নিরাপত্তা সংস্থা একযোগে সচেতন না হলে দেশের স্থিতিশীলতা গুরুতর ঝুঁকিতে পড়বে। সুতরাং, এই ধরনের কূটনৈতিক সাক্ষাৎ, বৈদেশিক প্রভাব বিস্তার এবং ঘনিষ্ঠ জঙ্গী সহায়তা কৌশলকে শুধুমাত্র সৌজন্যবাণী হিসেবে দেখা যায় না; এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি সতর্কবার্তা। দেশের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে স্বচ্ছ, শক্তিশালী এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র কীর্তনে হামলা, প্যান্ডেল ভাঙচুর—এই কি ইউনুস–জামাতের ‘নিরাপদ বাংলাদেশ’? শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা বাংলাদেশের ২০২৬ নির্বাচন: আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, গণতন্ত্রের পরীক্ষা নির্বাচনে কালো টাকার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে মাঠে নামছে দুদক মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া এবারও কলকাতার বইমেলায় থাকছে না বাংলাদেশ উত্তর-পশ্চিমের আট জেলায় শৈত্যপ্রবাহ দুর্ভোগে মানুষ চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি রাজধানীতে আজ কোথায় কী মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ ১৩ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি