নোবেল পুরস্কার নিলেন হান কাং, বললেন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

নোবেল পুরস্কার নিলেন হান কাং, বললেন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
দক্ষিণ কোরিয়ার লেখিকা হান কাং নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। সাহিত্যে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের কনসার্ট হলে ১০ ডিসেম্বর আয়োজিত এক স্মারক অনুষ্ঠানে সুইডেনের রাজা ষোড়শ কার্ল গুস্তাফের কাছ থেকে নোবেল পুরস্কার পদক ও সনদ নিয়েছেন তিনি। পুরস্কার নেওয়ার পরে দেওয়া বক্তব্যে হান কাং দক্ষিণ কোরিয়ার সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য জারি করা সামরিক শাসন নিয়ে তাঁর ভাবনা জানান। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। শান্তির নোবেল পুরস্কার নরওয়ের রাজধানী অসলোতে দেওয়া হলেও অন্য সব কটি বিভাগের পুরস্কার সুইডেনে দেওয়া হয়। ১০ ডিসেম্বরের একই অনুষ্ঠানে হান কাংয়ের পাশাপাশি এবারের আরও ১০ জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী উপস্থিত ছিলেন। তবে এশিয়ার

প্রথম নারী হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হওয়ায় হান কাংয়ের উপস্থিতি অনেকের নজর কেড়েছে। এমন এক সময়ে তিনি পুরস্কার নিলেন, যখন তাঁর দেশে প্রেসিডেন্টের জারি করা সংক্ষিপ্ত সময়ের সামরিক শাসন নিয়ে চলছে উত্তাল অবস্থা। হান কাং দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। এর আগে ২০০০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দে-জুং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হান কী বলেন, সেদিকে অনেকেই নজর রেখেছেন। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের পরে বিশেষ ভোজসভার আয়োজন করা হয়। এর আগে দেওয়া বক্তব্যে সাহিত্য ও নিজের ভাবনার কথা জানান হান কাং। বক্তব্যে তিনি সামরিক শাসন মানুষের জীবনকে কতটা বিপর্যস্ত করে তোলে, সে ইঙ্গিত দেন। তিনি

১৯৮০ সালে সামরিক শাসনাধীন দক্ষিণ কোরিয়ায় কয়েক শ গণতন্ত্রপন্থী জনতাকে নির্মমভাবে হত্যার কথা উল্লেখ করেন। ২০২৪ সালে এসে একই ধরনের ঘটনা ঘটে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিস্ময়কর বলে অভিহিত করেন। হান কাং শৈশবের একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। বলেন, আট বছর বয়সে একদিন হঠাৎ করে শুরু হয়ে যাওয়া বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে একটি ভবনের ছাদের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন। একই জায়গায় আশ্রয় নেন আরও কয়েকজন। তখন তাঁর মনে হয়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানো সবাই নিজেদের চলার পথে তাঁর মতোই নিজস্ব অধিকার নিয়ে বেঁচে আছেন। সেদিন হানের মনে প্রশ্ন জাগে, ‘বেঁচে থাকা ও জন্ম নেওয়ার কারণ কী? এই পৃথিবীতে সংক্ষিপ্ত অস্তিত্বের অর্থ কী? জীবনে যা কিছু ঘটে

না কেন, সেই আবর্তে মানবসত্তা বজায় রাখা কতটা কঠিন?’ সমস্ত জীবন ধরে হান সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তাঁর উপন্যাসের মূলেও এ প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফাইনালে মেসিকে ‘ম্যান-মার্কিং’ করবে না স্পেন! ছাত্রলীগে গুপ্তবেশে ছিলেন ছাত্রদলের দুই নেতা, ‘কৌশল’ বলে স্বীকার করলেন প্রিজন ব্রেক-কাশিমপুর: উচ্চ নিরাপত্তা ব্যূহ ভেদ করে রিম্পার পালিয়ে যেতে লেগেছে মাত্র কয়েক মিনিট চুক্তির চেয়েও ৫০% বেশি দামে কেনা হচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকার এলএনজি ‘আপনার বহু আগে ঢাকায় আমি ছাত্রদল করে আসছি’— কুমিল্লা এসপির বিস্ফোরক মন্তব্য ভাইরাল গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস: চবি ক্যাম্পাসে স্লোগানে স্লোগানে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ ‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি ‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার মুখে ছাই: নাটোরে পরীক্ষার হলে দেদারসে নকল, ধরিয়ে দিয়ে উল্টো বহিষ্কার শিক্ষার্থী ২ বছরেও শেষ হয়নি ৮৬% জুলাই মামলার তদন্ত: হয়নি ময়নাতদন্ত, ঢালাও আসামি-মামলা বাণিজ্যে ভজঘট অবস্থা! ক্রিকেট ইতিহাসের মহানায়ক স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই সাইফুদ্দিন ও রিশাদের ঝলকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ ৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম মিস ওয়ার্ল্ডের আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তান সিঙ্গাপুরে উগ্র মতাদর্শী দুই নির্মাণ শ্রমিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে বাংলাদশে ফেরত ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান ঢাকায় তিন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্টের নীরব সফর: যার একজন ইউএস আর্মির সদস্য, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন আমলাদের চাপে পিছু হটল সরকার, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা মিলবে ৫০ হাজার ফিফার সবচেয়ে বড় স্পন্সর অ্যাডিডাসের দুই দলই ফাইনালে, কোণঠাসা নাইকি