ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই দাঙ্গার নায়করা নির্বাচনে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৃত্যুর প্রহর গুনছে
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
যে দেশে সংখ্যালঘু মানেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক : রক্তের দাগ মোছে না, ইতিহাসও ভোলে না
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার
আবদুল মান্নান খানের মৃত্যুতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শোক
ঈদের মতো ভিড় টার্মিনালে, রিকুইজিশনে বাস সংকট
তপশিলের পর গুলির ঘটনা ৩৪টি, অস্ত্র উদ্ধার ১১৩৯
নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতেই ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টে’ তড়িঘড়ি করে রায় দেওয়া হয়েছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেছেন, আগামী নির্বাচনে তাকে ও তার পরিবারকে অযোগ্য ঘোষণা করার উদ্দেশ্যেই তড়িঘড়ি করে একটি রায় দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অবৈধ ইউনুস সরকার’ আখ্যায়িত করে তিনি দাবি করেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এই রায় দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঢাকার উপকন্ঠের একটি অনুন্নত এলাকায় প্রত্যেকে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ১/৬ একর করে জমি কিনেছিলেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল তাদের নিজস্ব টাকায় কেনা প্রথম কোনো সম্পত্তি। এর বাইরে তাদের যা কিছু আছে, তা
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। জয় অভিযোগ করেন, "অবৈধ ইউনুস শাসনামলে বাংলাদেশের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আরেকটি দ্রুত বিচার ও রায় প্রদান করেছে। আমরা কোনো নোটিশ পাইনি, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা 'ডিউ প্রসেস' মানা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, এই রায়ের মূল লক্ষ্য হলো তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই এমনটা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। জয় অভিযোগ করেন, "অবৈধ ইউনুস শাসনামলে বাংলাদেশের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আরেকটি দ্রুত বিচার ও রায় প্রদান করেছে। আমরা কোনো নোটিশ পাইনি, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা 'ডিউ প্রসেস' মানা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, এই রায়ের মূল লক্ষ্য হলো তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই এমনটা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



