নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর

বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!

আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!

স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। এখনো নতুন এমপিরা শপথ নেননি, গঠিত হয়নি সরকার। এরই মধ্যে রাজপথ ও প্রশাসনের আচরণে দেখা যাচ্ছে ক্ষমতার পালাবদলের আগ্রাসী রূপ। আজ রোববার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে নজিরবিহীনভাবে লাঞ্ছিত ও আটক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিন। কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই—সরকার গঠনের আগেই—একজন শিক্ষকের ওপর এমন চড়াও হওয়ার ঘটনা ‘ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের’ জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। আজ দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে

যান ড. জামাল উদ্দিন। ভাইরাল হওয়া ফুটেজ ও ছবিতে দেখা যায়, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জ্যাকেটের কলার ও ঘাড় চেপে ধরে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের এক শ্রেণির কর্মকর্তার মধ্যে ‘নব্য সরকার’কে খুশি করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সরকার এখনো দায়িত্ব নেয়নি, অথচ পুলিশ এখনই বিরোধী মতের বা ভিন্ন মতাদর্শের—বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের—ব্যক্তিদের দমনে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে। একজন নিরস্ত্র শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণ প্রমাণ করে, প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারিয়ে ক্ষমতার পালাবদলের স্রোতে গা ভাসিয়েছে। বিএনপি বরাবরই দাবি করে তারা রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের দল। নির্বাচনে জয়ের পর দলটির নেতারা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের বিজয়োল্লাসের

মধ্যেই একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে (ড. জামাল উদ্দিন) রাস্তায় এভাবে অপদস্থ হতে হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, ‘বিএনপি এখনো মসনদে বসেনি, কেবল জয় পেয়েছে। তাতেই যদি ভিন্নমতের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের এই হাল হয়, তবে সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের (আওয়ামীপন্থী) প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ড. জামাল উদ্দিন। রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তিনি একজন শিক্ষক এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বিএনপি যদি সত্যিই প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইত, তবে তাদের জয়ের ডামাডোলের মধ্যে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটত না বা তারা এর প্রতিবাদ করত। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সময়টি খুবই স্পর্শকাতর। বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এখনো দাপ্তরিকভাবে ক্ষমতায়

বসেনি। এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন দলীয় আচরণ এবং ভিন্নমতের ওপর আঘাত প্রমাণ করে, মাঠ পর্যায়ে সহনশীলতার চরম অভাব রয়েছে। শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, “যে সরকার এখনো শপথই নেয়নি, তাদের প্রচ্ছন্ন ছায়ায় যদি একজন ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিরাপদ না থাকেন, তবে এটি ‘নতুন দিনের’ রাজনীতির জন্য ভালো খবর নয়।” অবিলম্বে অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং পুলিশি বাড়াবাড়ির তদন্ত দাবি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?