ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: অবহেলার অভিযোগে রাঁধুনি গ্রেফতার
ভারতের দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যুর তিন দিন পর হোটেলের রাঁধুনি কেশব নেগিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক শনিবার (৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৩ জুন) সকালে ফ্লারিশ ইন হোটেলে আগুন লাগে। এতে ২১ জন অতিথি নিহত হন। এদের মধ্যে ৯ জন ভারতীয় এবং ১২ জন বিদেশি নাগরিক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রের দাবি, কেশব নেগির অবহেলার কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নেগিসহ আরও কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর আগে হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, রান্নাঘরে বৈদ্যুতিক চুলা চালু করার পর
বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার পর কেশব নেগি প্রাণ বাঁচাতে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। তিনি দাবি করেছিলেন, বিস্ফোরণের পর তিনি হোটেলের মূল বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ধোঁয়ার মধ্যে দিয়ে বাইরে চলে আসেন। তবে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে হোটেলের ইলেকট্রনিক দরজাগুলো লক হয়ে যায়। এতে বহু অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। এক দম্পতি বাথরুমে আটকা পড়ে শ্বাসরোধে মারা যান, কারণ তারা দরজা খুলে বের হতে পারেননি। পুলিশের মতে, নেগির এই অবহেলাপূর্ণ পদক্ষেপের কারণে অনেক মানুষ আগুনে ঘেরা ভবন থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাননি। তদন্তকারীরা এখন পুরো ঘটনার বিস্তারিত কারণ খতিয়ে দেখছেন। হোটেলের কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই অগ্নিকাণ্ডে আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এটি ২০২২ সালের পর দিল্লিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার পর কেশব নেগি প্রাণ বাঁচাতে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। তিনি দাবি করেছিলেন, বিস্ফোরণের পর তিনি হোটেলের মূল বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ধোঁয়ার মধ্যে দিয়ে বাইরে চলে আসেন। তবে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে হোটেলের ইলেকট্রনিক দরজাগুলো লক হয়ে যায়। এতে বহু অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। এক দম্পতি বাথরুমে আটকা পড়ে শ্বাসরোধে মারা যান, কারণ তারা দরজা খুলে বের হতে পারেননি। পুলিশের মতে, নেগির এই অবহেলাপূর্ণ পদক্ষেপের কারণে অনেক মানুষ আগুনে ঘেরা ভবন থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাননি। তদন্তকারীরা এখন পুরো ঘটনার বিস্তারিত কারণ খতিয়ে দেখছেন। হোটেলের কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই অগ্নিকাণ্ডে আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এটি ২০২২ সালের পর দিল্লিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।



