ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
‘দল হ্যারাই ভালো চালায়’—গ্যাস সংকটের ক্ষোভের মাঝেও আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন চাইলেন চালক
রাজধানীতে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন পরিবহনশ্রমিকেরা। এমনই এক পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে বিগত সরকারের শাসনামলের প্রশাসনিক দক্ষতার কথা স্মরণ করলেন এক অটোরিকশাচালক। গ্যাস সংকট ও বর্তমান অর্থনৈতিক দুরবস্থা থেকে উত্তরণে তিনি অবিলম্বে আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গ্যাসের জন্য অপেক্ষমাণ এক চালক তীব্র ভাষায় নিজের ভোগান্তির কথা তুলে ধরছেন। তিনি স্যাটায়ার করে বলেন, ‘কঠিন সংকট, সব গ্যাস শেখ হাসিনা ইন্ডিয়া লইয়া গেছে... শেখ হাসিনা যাওয়ার পর সব লইয়া গেছে ইন্ডিয়া।’
তবে এই ক্ষোভের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বর্তমান শাসনব্যবস্থার
অস্থিতিশীলতা এবং সাধারণ মানুষের আয়রোজগার কমে যাওয়া নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন। ওই চালক বলেন, ‘মানুষের আয়রোজগার নাই, ইনকাম নাই। মানুষ হাহাকার করতাছে, এহন এমন অবস্থা।’ দেশ পরিচালনায় তাদের দক্ষতার বিষয়টিও অবলীলায় স্বীকার করেন এই শ্রমিক। বর্তমান সংকট নিরসনে তিনি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন। তাঁর ভাষ্য, ‘এহন দ্রুত আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন দেওয়া দরকার। এছাড়া উপায় নাই। দল হ্যারাই ভালো চালায়।’ নিজেকে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী নয়, বরং সাধারণ ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করে ওই চালক বলেন, ‘আমরা কোনো দল না, আমরা ব্যবসা করি। আমাগো ব্যবসা এহন খারাপ অবস্থা। যারা ভালো চালাইবে, আমরা হ্যগো চাই।’ গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবনের এই খণ্ডচিত্রে সাধারণ মানুষের মিশ্র
প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে। একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানির সংকট, অন্যদিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দক্ষ শাসনের অভাব—উভয় সংকট থেকে মুক্তি পেতে সাধারণ মানুষ যে আবারও একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন, ওই চালকের বক্তব্যে সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।
অস্থিতিশীলতা এবং সাধারণ মানুষের আয়রোজগার কমে যাওয়া নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন। ওই চালক বলেন, ‘মানুষের আয়রোজগার নাই, ইনকাম নাই। মানুষ হাহাকার করতাছে, এহন এমন অবস্থা।’ দেশ পরিচালনায় তাদের দক্ষতার বিষয়টিও অবলীলায় স্বীকার করেন এই শ্রমিক। বর্তমান সংকট নিরসনে তিনি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন। তাঁর ভাষ্য, ‘এহন দ্রুত আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন দেওয়া দরকার। এছাড়া উপায় নাই। দল হ্যারাই ভালো চালায়।’ নিজেকে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী নয়, বরং সাধারণ ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করে ওই চালক বলেন, ‘আমরা কোনো দল না, আমরা ব্যবসা করি। আমাগো ব্যবসা এহন খারাপ অবস্থা। যারা ভালো চালাইবে, আমরা হ্যগো চাই।’ গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবনের এই খণ্ডচিত্রে সাধারণ মানুষের মিশ্র
প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে। একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানির সংকট, অন্যদিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দক্ষ শাসনের অভাব—উভয় সংকট থেকে মুক্তি পেতে সাধারণ মানুষ যে আবারও একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন, ওই চালকের বক্তব্যে সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।



