ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
দখলদার শাসনের অধীনে চলমান সিরিয়াল কিলিংয়ের নগ্ন ও বিভৎস বহিঃপ্রকাশ
লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের কর্মী ও কলেজছাত্র ফজলে রাব্বির হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, কোনো আকস্মিক সহিংসতাও নয়। এটি একটি পরিকল্পিত, ঠান্ডা মাথায় সংঘটিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এবং দেশজুড়ে চলমান সিরিয়াল কিলিংয়ের ভয়াবহ ধারাবাহিকতার আরেকটি রক্তাক্ত অধ্যায়।
একজন ছাত্রলীগ কর্মীর নিথর দেহ সেপটিক ট্যাংকের ভেতর পাওয়া যাওয়ার অর্থ অত্যন্ত স্পষ্ট, বাংলাদেশ আজ আর কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে বিদ্যমান নেই। দেশকে পরিকল্পিতভাবে রূপান্তর করা হয়েছে একটি ভয়ের উপনিবেশে, যেখানে দখলদার শাসকগোষ্ঠীর অধীনে নাগরিকের জীবন সম্পূর্ণ অরক্ষিত, আর হত্যাই শাসনের স্বাভাবিক উপকরণে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দ্ব্যর্থহীন, আপসহীন ভাষায় ঘোষণা করছে এই হত্যাকাণ্ডের দায় সরাসরি বর্তমান অবৈধ, জনবিচ্ছিন্ন ও ফ্যাসিস্ট দখলদার সরকারের ওপরই
বর্তায়। তথাকথিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যর্থতার আড়ালে এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়; এটি একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহিত সহিংস রাজনৈতিক বাস্তবতা, যেখানে খুন, গুম ও লাশই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার। আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই আমরা এই দখলদার সরকারের কাছে কোনো বিচার চাই না। কারণ যারা নিজেরাই বিচারহীনতার স্থপতি, যারা রাষ্ট্রকে খুনের কারখানায় রূপ দিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করা রাজনৈতিক ভণ্ডামি ও আত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া কিছু নয়। আজ জেলা ছাত্রলীগের কর্মী রাব্বি, আগামীকাল আরেকজন, এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে দেশকে সচেতনভাবে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে, যেখানে বিরোধী রাজনীতি, সংগঠিত ছাত্র আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করাই দখলদার সরকারের প্রধান
এজেন্ডা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এই রক্তের রাজনীতি বন্ধ করতে হলে, সিরিয়াল কিলিংয়ের এই বিভীষিকাময় অধ্যায় শেষ করতে হলে এবং নাগরিক নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করতে হলে এই দখলদার সরকারের পতন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। জনগণের সম্মতি ছাড়া ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রতিটি দিন রাষ্ট্রকে আরও গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে। লাশের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো শাসন টিকে থাকতে পারে না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শহীদ সহযোদ্ধা রাব্বির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
বর্তায়। তথাকথিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যর্থতার আড়ালে এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়; এটি একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহিত সহিংস রাজনৈতিক বাস্তবতা, যেখানে খুন, গুম ও লাশই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার। আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই আমরা এই দখলদার সরকারের কাছে কোনো বিচার চাই না। কারণ যারা নিজেরাই বিচারহীনতার স্থপতি, যারা রাষ্ট্রকে খুনের কারখানায় রূপ দিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করা রাজনৈতিক ভণ্ডামি ও আত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া কিছু নয়। আজ জেলা ছাত্রলীগের কর্মী রাব্বি, আগামীকাল আরেকজন, এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে দেশকে সচেতনভাবে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে, যেখানে বিরোধী রাজনীতি, সংগঠিত ছাত্র আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করাই দখলদার সরকারের প্রধান
এজেন্ডা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এই রক্তের রাজনীতি বন্ধ করতে হলে, সিরিয়াল কিলিংয়ের এই বিভীষিকাময় অধ্যায় শেষ করতে হলে এবং নাগরিক নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করতে হলে এই দখলদার সরকারের পতন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। জনগণের সম্মতি ছাড়া ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রতিটি দিন রাষ্ট্রকে আরও গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে। লাশের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো শাসন টিকে থাকতে পারে না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শহীদ সহযোদ্ধা রাব্বির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু



