ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
রাষ্ট্রযন্ত্র দুর্বল করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নৈতিকভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আর অপরাধীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে অভয়ারণ্য। দখলদার ইউনুসের নেতৃত্বে যে অপশাসন চলছে, তা শুধু ব্যর্থতা না এটা রাষ্ট্র ধ্বংসের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ।
নিখোঁজের পর ছাত্রলীগ কর্মীর মরদেহ উদ্ধার, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে হত্যা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তির পরিবারের সদস্যকে প্রকাশ্যে খুন এসব কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এগুলো প্রমাণ করে, এই দেশে এখন আর নাগরিক পরিচয় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। অপরাধ ঘটছে দিনের আলোতে, কিন্তু বিচার নেই, তদন্ত নেই, জবাবদিহিতা নেই।
আরও ভয়াবহ বিষয় হলো, এই সব ঘটনার পর অবৈধ উপদেষ্টাগং এর থেকে নীরবতা। এই নীরবতা কোনো অক্ষমতা না, এটা সম্মতি। কারণ দখলদাররা
জানে, ভয়ের রাজত্ব কায়েম থাকলে প্রশ্ন উঠবে না, প্রতিরোধ গড়ে উঠবে না। এই অপশাসনে সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষের জীবনে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কৃষিবিদদের মরদেহ উদ্ধার হওয়া প্রমাণ করে এখানে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বা অবদান কোনোটাই নিরাপত্তা দেয় না। যে দেশ তার মেধাকে রক্ষা করতে পারে না, সে দেশ ভবিষ্যৎও হারায়। বাংলাদেশকে অকার্যকর দূর্বল রাষ্ট্র বানাতেই বিদেশি শক্তির প্রেসক্রিপশনে চলছে ষড়যন্ত্র। এই অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র আর জনগণের রক্ষক নেই। আছে শুধু ক্ষমতা রক্ষার মেশিন। পুলিশ আতঙ্কিত, প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট, বিচারব্যবস্থা অচল। ফলে অপরাধী জানে ধরা পড়লেও কিছু হবে না। এই অবস্থার মধ্যেই দখলদার ইউনুস নির্বাচনের নাটক সাজাচ্ছে। যেন রক্ত, লাশ আর নিরাপত্তাহীনতার
ওপর দাঁড়িয়ে বৈধতার সিল মারা যায়। কিন্তু জনগণ সব দেখছে, সব বুঝছে। বাংলাদেশকে আজ অরাজকতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবে। আর এই অরাজকতাই দখলদারদের শক্তি। কিন্তু ইতিহাস বলে ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো শাসন টেকে না। এই অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এখন শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব না, এটা রাষ্ট্র বাঁচানোর লড়াই।
জানে, ভয়ের রাজত্ব কায়েম থাকলে প্রশ্ন উঠবে না, প্রতিরোধ গড়ে উঠবে না। এই অপশাসনে সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষের জীবনে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কৃষিবিদদের মরদেহ উদ্ধার হওয়া প্রমাণ করে এখানে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বা অবদান কোনোটাই নিরাপত্তা দেয় না। যে দেশ তার মেধাকে রক্ষা করতে পারে না, সে দেশ ভবিষ্যৎও হারায়। বাংলাদেশকে অকার্যকর দূর্বল রাষ্ট্র বানাতেই বিদেশি শক্তির প্রেসক্রিপশনে চলছে ষড়যন্ত্র। এই অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র আর জনগণের রক্ষক নেই। আছে শুধু ক্ষমতা রক্ষার মেশিন। পুলিশ আতঙ্কিত, প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট, বিচারব্যবস্থা অচল। ফলে অপরাধী জানে ধরা পড়লেও কিছু হবে না। এই অবস্থার মধ্যেই দখলদার ইউনুস নির্বাচনের নাটক সাজাচ্ছে। যেন রক্ত, লাশ আর নিরাপত্তাহীনতার
ওপর দাঁড়িয়ে বৈধতার সিল মারা যায়। কিন্তু জনগণ সব দেখছে, সব বুঝছে। বাংলাদেশকে আজ অরাজকতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবে। আর এই অরাজকতাই দখলদারদের শক্তি। কিন্তু ইতিহাস বলে ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো শাসন টেকে না। এই অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এখন শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব না, এটা রাষ্ট্র বাঁচানোর লড়াই।



