ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এপস্টেইন-বিতর্কের জেরে গেটস ফাউন্ডেশনে অনুদান দেওয়া বন্ধ করলেন বাফেট
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ব্যার্থ: টানা চতুর্থ রাতেও হামলা, হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে নৌ-অবরোধ
মার্কিন আগ্রাসন চললে কখনই খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান
হরমুজ প্রণালিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
হুথিদের অভিযোগের তির এবার সৌদির দিকে!
মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত
তৃতীয় দফায় ১১২ ভারতীয়কে দেশে পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
তৃতীয় দফায় আরও ১১২ জন ভারতীয় অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাদের বহনকারী মার্কিন বিমানটি পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবতরণ করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ফেরত পাঠানো অভিবাসীদের মধ্যে ৩১ জন পাঞ্জাবের, ৪৪ জন হরিয়ানার, ৩৩ জন গুজরাটের, উত্তরপ্রদেশের দু’জন, হিমাচল ও উত্তরাখণ্ডের একজন করে রয়েছেন।
এর আগে প্রথম দফায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি ১০৪ জন ভারতীয় অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়। সামরিক বিমানে করে এসব অভিবাসীদের হাতকড়া পরিয়ে পাঠানো হয়েছিল। গত শনিবার দ্বিতীয় দফায় ১১৬ ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। তবে সবশেষ তৃতীয় দফায় পাঠানো ভারতীয়দের হাতকড়া পরিয়ে পাঠানো হয়েছে কিনা
এখনও জানা যায়নি। ভারতীয়দের এভাবে অপমান করে ফেরত পাঠানো নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে আলোচনা তুঙ্গে। এ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত ভারতীয়দের সঙ্গে দুর্ব্যবহার না করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পরই যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে নির্বাহী আদেশ জারি করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ধর-পাকড় এবং নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম।
এখনও জানা যায়নি। ভারতীয়দের এভাবে অপমান করে ফেরত পাঠানো নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে আলোচনা তুঙ্গে। এ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত ভারতীয়দের সঙ্গে দুর্ব্যবহার না করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পরই যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে নির্বাহী আদেশ জারি করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ধর-পাকড় এবং নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম।



