ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোট কেন্দ্র নাকি চোরের মেলা? বোঝা বড্ড দায়; একের পর এক সিল মারতে থাকা ভোটচোর ক্যামেরা দেখেই দিলেন চম্পট!
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ: চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরির অভিযোগ
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’—মব ও ইউনূস সরকার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
গাদ্দাফির সেই ভবিষ্যৎবাণী, লিবিয়ার স্বর্ণযুগ এবং এক করুণ ট্র্যাজেডি: ইতিহাসের পাতায় একটি রক্তাক্ত অধ্যায়
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমান ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে, আলী রিয়াজ ও জামায়াতের কঠোর সমালোচনায় অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন এবং মন্ত্রিসভায় ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মুসলিম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ। তিনি এই নিয়োগকে ‘ডিপ স্টেটের’ চাপ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং ড. খলিলুর রহমানকে একজন ‘ব্যর্থ’ ও ‘বিতর্কিত’ ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একইসাথে তিনি এমপিদের দ্বিতীয়বার শপথ বা ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ আয়োজিত ‘কথপোকথন’ অনুষ্ঠানে সঞ্চালক মঞ্জুরুল আলম পান্নার সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খলিলুর রহমান ও ‘ডিপ স্টেট’ প্রসঙ্গ
ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে মহসিন রশীদ বলেন, "খলিলুর
রহমানের নাম দেখে আমি আকাশ থেকে পড়েছি। বিভিন্ন তালিকায় তার নাম ছিল না। হঠাৎ করে তাকে আনা হয়েছে। আমার ধারণা, কোনো বিদেশি বা ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে তারেক রহমান তাকে নিতে বাধ্য হয়েছেন।" তিনি খলিলুর রহমানের অতীত টেনে বলেন, "খলিলুর রহমান করিডোর ইস্যুতে বিতর্কিত ছিলেন। আর্মি ইন্টারভেইন না করলে তিনি করিডোর দিয়েই দিতেন। এছাড়া লতিফুর রহমানের সময় তিনি পিএস ছিলেন এবং একটি নারীঘটিত কেলেঙ্কারির কারণে লতিফুর রহমান ক্ষমতা ছাড়ার আগেই তিনি দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এমন একজন ‘খারাপ লোক’ এবং ‘ব্যর্থ’ ব্যক্তিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা খুব বাজে পছন্দ (Bad Choice)।" আইনমন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে আপত্তি নতুন মন্ত্রিসভায় আসাদকে (সম্ভবত আসাদুজ্জামান) আইনমন্ত্রী করার বিষয়েও আপত্তি জানান এই
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি বলেন, "তিনি বিগত অবৈধ ও দুর্নীতিবাজ সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছেন। যারা সেই চোর সরকারকে সহায়তা করেছে, তাদের নতুন সরকারে থাকা উচিত নয়। এটি তারেক রহমানের প্রথম ভুল এবং আমি আশা করি তিনি এটি দ্রুত সংশোধন করবেন।" বিএনপিকে অভিনন্দন ও শপথ বিতর্ক বিএনপির এমপিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় শপথ না নেওয়ায় দলটিকে অভিনন্দন জানান মহসিন রশীদ। তিনি বলেন, "আমি বিএনপিকে অভিনন্দন জানাই যে তারা বুঝতে পেরেছে দ্বিতীয় শপথে গেলে তাদের ভরাডুবি হতো। এটি ত্রয়োদশ সংসদের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র ছিল, যাতে সংসদকে কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বানিয়ে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীত্বকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।" অন্যদিকে জামায়াত
ও এনসিপির এমপিদের দ্বিতীয় শপথ নেওয়াকে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ (Historical Error) বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, "জামায়াত ৪৭ ও ৭১ সালেও ভুল করেছিল, এখানে এসেও ভুল করল। টু-থার্ড মেজরিটি যাদের আছে (বিএনপি), তারা যেখানে এটি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে জামায়াত ও এনসিপির এটা করা উচিত হয়নি। এর কোনো মূল্য নেই, শুধু তারা পার্লামেন্টে হট্টগোল সৃষ্টি করবে।" ড. আলী রিয়াজ ও সিইসি’র কঠোর সমালোচনা জুলাই সনদের ব্যাখ্যাকার ড. আলী রিয়াজের কঠোর সমালোচনা করে মহসিন রশীদ বলেন, "আলী রিয়াজ জাসদ ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক, যারা সবসময় ষড়যন্ত্র করেছে। তিনি একজন প্রতারক। তার এখন উচিত একটি ললিপপ চুষতে চুষতে ইলিনয়ে ফিরে যাওয়া।" এছাড়া সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় শপথ পড়ানোয় প্রধান
নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সমালোচনা করে তিনি বলেন, "সিইসি এই শপথ পড়িয়ে অন্যায় করেছেন এবং নিজের শপথ ভঙ্গ করেছেন। তার কোনো সাংবিধানিক এখতিয়ার ছিল না এই শপথ পড়ানোর।" মহসিন রশীদ আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান দ্রুত এসব ভুল বুঝতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করবেন, যাতে জনমনে কোনো হতাশা তৈরি না হয়।
রহমানের নাম দেখে আমি আকাশ থেকে পড়েছি। বিভিন্ন তালিকায় তার নাম ছিল না। হঠাৎ করে তাকে আনা হয়েছে। আমার ধারণা, কোনো বিদেশি বা ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে তারেক রহমান তাকে নিতে বাধ্য হয়েছেন।" তিনি খলিলুর রহমানের অতীত টেনে বলেন, "খলিলুর রহমান করিডোর ইস্যুতে বিতর্কিত ছিলেন। আর্মি ইন্টারভেইন না করলে তিনি করিডোর দিয়েই দিতেন। এছাড়া লতিফুর রহমানের সময় তিনি পিএস ছিলেন এবং একটি নারীঘটিত কেলেঙ্কারির কারণে লতিফুর রহমান ক্ষমতা ছাড়ার আগেই তিনি দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এমন একজন ‘খারাপ লোক’ এবং ‘ব্যর্থ’ ব্যক্তিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা খুব বাজে পছন্দ (Bad Choice)।" আইনমন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে আপত্তি নতুন মন্ত্রিসভায় আসাদকে (সম্ভবত আসাদুজ্জামান) আইনমন্ত্রী করার বিষয়েও আপত্তি জানান এই
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি বলেন, "তিনি বিগত অবৈধ ও দুর্নীতিবাজ সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছেন। যারা সেই চোর সরকারকে সহায়তা করেছে, তাদের নতুন সরকারে থাকা উচিত নয়। এটি তারেক রহমানের প্রথম ভুল এবং আমি আশা করি তিনি এটি দ্রুত সংশোধন করবেন।" বিএনপিকে অভিনন্দন ও শপথ বিতর্ক বিএনপির এমপিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় শপথ না নেওয়ায় দলটিকে অভিনন্দন জানান মহসিন রশীদ। তিনি বলেন, "আমি বিএনপিকে অভিনন্দন জানাই যে তারা বুঝতে পেরেছে দ্বিতীয় শপথে গেলে তাদের ভরাডুবি হতো। এটি ত্রয়োদশ সংসদের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র ছিল, যাতে সংসদকে কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বানিয়ে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীত্বকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।" অন্যদিকে জামায়াত
ও এনসিপির এমপিদের দ্বিতীয় শপথ নেওয়াকে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ (Historical Error) বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, "জামায়াত ৪৭ ও ৭১ সালেও ভুল করেছিল, এখানে এসেও ভুল করল। টু-থার্ড মেজরিটি যাদের আছে (বিএনপি), তারা যেখানে এটি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে জামায়াত ও এনসিপির এটা করা উচিত হয়নি। এর কোনো মূল্য নেই, শুধু তারা পার্লামেন্টে হট্টগোল সৃষ্টি করবে।" ড. আলী রিয়াজ ও সিইসি’র কঠোর সমালোচনা জুলাই সনদের ব্যাখ্যাকার ড. আলী রিয়াজের কঠোর সমালোচনা করে মহসিন রশীদ বলেন, "আলী রিয়াজ জাসদ ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক, যারা সবসময় ষড়যন্ত্র করেছে। তিনি একজন প্রতারক। তার এখন উচিত একটি ললিপপ চুষতে চুষতে ইলিনয়ে ফিরে যাওয়া।" এছাড়া সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় শপথ পড়ানোয় প্রধান
নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সমালোচনা করে তিনি বলেন, "সিইসি এই শপথ পড়িয়ে অন্যায় করেছেন এবং নিজের শপথ ভঙ্গ করেছেন। তার কোনো সাংবিধানিক এখতিয়ার ছিল না এই শপথ পড়ানোর।" মহসিন রশীদ আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান দ্রুত এসব ভুল বুঝতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করবেন, যাতে জনমনে কোনো হতাশা তৈরি না হয়।



