ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
*ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি*
ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্বেগজনক এক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চীনের জিনজিয়াং আকিয়া স্পোর্টস কোং লিমিটেডের মালিক চার্লি তিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ নিতে গিয়ে তিনি বিমানবন্দরে মারাত্মক সময় ক্ষয় ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তার পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে এবং দেশের নীতিনির্ধারক ও পর্যটন খাতের জন্য বড়ই লজ্জার বিষয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আমেরিকার চাপের কারণে চীনা নাগরিকদের জন্য কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে, আর পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রভাবে ভারতীয় নাগরিকদের জন্যও নিয়ম কঠোর করা হয়েছে। পাসপোর্ট দেখার মাত্রেই চীনা ও ভারতীয় নাগরিকরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারত ও চীন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতি
এবং বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ। এমন অযথা ও বৈষম্যমূলক নিয়ন্ত্রণ তাদের বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক আগ্রহকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পর্যটন খাতও প্রায় পুরোপুরি প্রভাবিত হচ্ছে। ড. ইউনুসের সরকারের বৈষম্যমূলক মনোভাব, রাজনৈতিক প্রভাব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। একসময়ের সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ধুঁকছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, অব্যাহত এই হয়রানি এবং অযথা নিয়ন্ত্রণ দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে এবং বাংলাদেশকে ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের কাছে অযোগ্য হিসেবে প্রমাণিত করবে।
এবং বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ। এমন অযথা ও বৈষম্যমূলক নিয়ন্ত্রণ তাদের বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক আগ্রহকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পর্যটন খাতও প্রায় পুরোপুরি প্রভাবিত হচ্ছে। ড. ইউনুসের সরকারের বৈষম্যমূলক মনোভাব, রাজনৈতিক প্রভাব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। একসময়ের সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ধুঁকছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, অব্যাহত এই হয়রানি এবং অযথা নিয়ন্ত্রণ দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে এবং বাংলাদেশকে ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের কাছে অযোগ্য হিসেবে প্রমাণিত করবে।



