ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
ড. ইউনূসের পিআর ও ‘ভাড়াটিয়া’ ফ্যাক্ট-চেকার নিয়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিস্ফোরক স্ট্যাটাস
জুলাই-আগস্ট মাসে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং পিআর (জনসংযোগ) প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক দাবি করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর। একইসাথে তিনি দেশের নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক পোস্টে আনিস আলমগীর অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস ভারতীয় গণমাধ্যমে পৌঁছানোর জন্য পিআর প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগিয়েছিলেন। বিষয়টি তিনি প্রকাশ্যে আনার পর একটি নির্দিষ্ট ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান একে ‘মিথ্যা’ প্রতিপন্নের চেষ্টা করে।
আনিস আলমগীর তার পোস্টে লেখেন, কুখ্যাত রাজাকার থেকে শুরু করে ড. ইউনূস বা আলী রিয়াজ—কারও বিরুদ্ধে কিছু লিখলেই ‘ভাড়াটিয়া ফ্যাক্ট-চেকার’রা তাদের ‘হিউমার স্ক্যানার’ দিয়ে সেটিকে
ভুল তথ্য বলে চালিয়ে দেয়। তিনি বলেন, “আমি যখন পিআর প্রতিষ্ঠানের দাবি-দাওয়াসহ বিষয়টি তুলে ধরলাম, তখনই রাজাকার ফ্যাক্ট-চেকার উল্কার গতিতে হাজির হয়ে জানাল- এটা নাকি সত্য নয়। কারণ, ওই পিআর প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা তাকে বলেছেন তারা এর জন্য কোনো অর্থ নেয়নি।” পিআর প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে কাজ করে—ফ্যাক্ট-চেকারদের এমন দাবিকে হাস্যকর ও বোকামি বলে অভিহিত করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। পিআর ব্যক্তির পরিচয় ফাঁস পোস্টে আনিস আলমগীর দাবি করেন, জুলাই-আগস্টে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎকারগুলো ভারতীয় গণমাধ্যমে ছাপানোর জন্য যিনি তদবির করেছিলেন, তার নাম ইয়োয়ান নোগুইয়ার (Yoan Noguer)। তিনি ফ্রান্সের ‘ইউনূস স্পোর্টস হাব’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রমাণ হিসেবে আনিস আলমগীর ওই ব্যক্তির লিঙ্কডইন প্রোফাইল এবং প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট শেয়ার করেন। তিনি উল্লেখ
করেন, “তার (Yoan Noguer) কাছ থেকেই সব ইমেইল এসেছিল।” আনিস আলমগীর আরও জানান, তিনি এতদিন এই ব্যক্তির পরিচয় গোপন রাখলেও ফ্যাক্ট-চেকারদের অপতৎপরতার জবাবে তিনি তা প্রকাশ করতে বাধ্য হলেন। ফ্যাক্ট-চেকারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “দুনিয়ার কোনো পিআর প্রতিষ্ঠান অর্থ ছাড়া কাজ করে—এই হাস্যকর ধারণা এই বেকুব ফ্যাক্ট-চেকার বিশ্বাস করে আবার তা জনগণকেও শোনায়। তোমার ওই সব টিউমার/হিউমার স্ক্যানার রাজাকারদের জন্য রাখো। সবাই ওইসব আবর্জনা খায় না।” উল্লেখ্য, ড. ইউনূসের ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং তার প্রচারণায় পিআর এজেন্সির ভূমিকা নিয়ে অনলাইন মাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে। আনিস আলমগীরের এই নতুন তথ্যের ফলে সেই বিতর্ক নতুন মোড় নিল।
ভুল তথ্য বলে চালিয়ে দেয়। তিনি বলেন, “আমি যখন পিআর প্রতিষ্ঠানের দাবি-দাওয়াসহ বিষয়টি তুলে ধরলাম, তখনই রাজাকার ফ্যাক্ট-চেকার উল্কার গতিতে হাজির হয়ে জানাল- এটা নাকি সত্য নয়। কারণ, ওই পিআর প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা তাকে বলেছেন তারা এর জন্য কোনো অর্থ নেয়নি।” পিআর প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে কাজ করে—ফ্যাক্ট-চেকারদের এমন দাবিকে হাস্যকর ও বোকামি বলে অভিহিত করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। পিআর ব্যক্তির পরিচয় ফাঁস পোস্টে আনিস আলমগীর দাবি করেন, জুলাই-আগস্টে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎকারগুলো ভারতীয় গণমাধ্যমে ছাপানোর জন্য যিনি তদবির করেছিলেন, তার নাম ইয়োয়ান নোগুইয়ার (Yoan Noguer)। তিনি ফ্রান্সের ‘ইউনূস স্পোর্টস হাব’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রমাণ হিসেবে আনিস আলমগীর ওই ব্যক্তির লিঙ্কডইন প্রোফাইল এবং প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট শেয়ার করেন। তিনি উল্লেখ
করেন, “তার (Yoan Noguer) কাছ থেকেই সব ইমেইল এসেছিল।” আনিস আলমগীর আরও জানান, তিনি এতদিন এই ব্যক্তির পরিচয় গোপন রাখলেও ফ্যাক্ট-চেকারদের অপতৎপরতার জবাবে তিনি তা প্রকাশ করতে বাধ্য হলেন। ফ্যাক্ট-চেকারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “দুনিয়ার কোনো পিআর প্রতিষ্ঠান অর্থ ছাড়া কাজ করে—এই হাস্যকর ধারণা এই বেকুব ফ্যাক্ট-চেকার বিশ্বাস করে আবার তা জনগণকেও শোনায়। তোমার ওই সব টিউমার/হিউমার স্ক্যানার রাজাকারদের জন্য রাখো। সবাই ওইসব আবর্জনা খায় না।” উল্লেখ্য, ড. ইউনূসের ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং তার প্রচারণায় পিআর এজেন্সির ভূমিকা নিয়ে অনলাইন মাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে। আনিস আলমগীরের এই নতুন তথ্যের ফলে সেই বিতর্ক নতুন মোড় নিল।



