ডিবি পরিচয়ে অপহরণ, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্স: শতাধিক অভিযোগে বহিষ্কার সায়মন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ডিবি পরিচয়ে অপহরণ, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্স: শতাধিক অভিযোগে বহিষ্কার সায়মন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
রাজধানীর মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকায় ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে অপহরণ, টর্চার সেলে নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্সসহ শতাধিক অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ সায়মনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায়। বহিষ্কৃত ফেরদৌস আহমেদ সায়মন হাতিরঝিল থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক পদে ছিলেন। দলীয় পদ ব্যবহার করে তিনি এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ভুক্তভোগী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সায়মন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তাঁর দাবিকৃত চাঁদা দিতে কেউ অস্বীকৃতি জানালে বা দরকষাকষি করলেই ‘সায়মন

বাহিনী’র সদস্যরা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ওই ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে যেত। অভিযোগ রয়েছে, গোপন টর্চার সেলে আটকে রেখে ভুক্তভোগীর ওপর চালানো হতো পৈশাচিক নির্যাতন। মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ পেলে ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হতো। আর টাকা না দিলে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হতো। ভয়ে অনেকে জমি বা সম্পদ বিক্রি করে সায়মনের হাতে টাকা তুলে দিতে বাধ্য হতেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, কেবল অপহরণ কিংবা মুক্তিপণ আদায়ই নয়—সায়মনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, লুটপাট, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো শতাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে তিনি মগবাজার এলাকায় ‘মব জাস্টিস’ বা মব ভায়োলেন্সের নাটক সাজিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে আসছিলেন। বাসাবাড়ি

ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট এবং চুরির ঘটনাতেও তাঁর বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সায়মনের অপকর্মের সর্বশেষ শিকার হন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা কাজী রিয়াদ হাসনাত। ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন করা হয়, যার ক্ষতচিহ্ন প্রকাশিত ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেছে। সায়মনের এসব অপকর্ম এবং শতাধিক অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসার পর আজ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফেরদৌস আহমেদ সায়মনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ

দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। দীর্ঘদিন ধরে সায়মনের ভয়ে তটস্থ থাকা মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বহিষ্কারের খবরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে ভুক্তভোগীরা বলছেন, কেবল বহিষ্কারই যথেষ্ট নয়; গুম, অপহরণ ও লুটপাটের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত সায়মনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল বিষমাখা আম-লিচুতে সয়লাব বাজার সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হওয়া থেকে বেঁচে গেছে পশ্চিমবঙ্গ: অগ্নিমিত্রা হরমুজ ‌‘চিরতরে’ বন্ধ ও বাহরাইনকে চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল ইরান ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের বিদেশিদের অপরাধের জাল অনভিজ্ঞ পর্ষদে বড় ক্ষতি ৯ দিন বৃষ্টির আভাস যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ সালিশে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে চারশ পেরিয়ে অলআউট বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান ৫ মন্ত্রী নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যাত্রা শুরু শুভেন্দু সরকারের সন্তানের বকেয়া শোধ না করলে পাসপোর্ট বাতিল